মজুত পর্যাপ্ত, তবু সরবরাহে সংকটের শঙ্কা পেট্রোল-পাম্প মালিক সমিতির

দেশে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও বিপণন কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপিত বিক্রয়সীমার কারণে ডিলার পর্যায়ে তেল সরবরাহে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকা সত্ত্বেও বাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। রোববার (৯ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে বিপণন কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন ও প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিক্রয়ের সীমা মেনে চলতে নির্দেশনা দেওয়ায় তারা ডিলারদের দৈনিক চাহিদা কিংবা ট্যাংকলরির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে পারছে না। এ সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ভুগছেন ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ডিপো থেকে দূরে অবস্থিত পাম্প মালিকরা। অনেক ক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাংক-লরি নিয়ে গেলেও ডিলারদের ৪ হাজার ৫০০ বা ৯ হাজার লিটার তেল নিয়ে ফিরতে বলা হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসায়িকভাবে ডিলারর

মজুত পর্যাপ্ত, তবু সরবরাহে সংকটের শঙ্কা পেট্রোল-পাম্প মালিক সমিতির

দেশে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও বিপণন কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপিত বিক্রয়সীমার কারণে ডিলার পর্যায়ে তেল সরবরাহে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকা সত্ত্বেও বাজারে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার (৯ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে বিপণন কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন ও প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিক্রয়ের সীমা মেনে চলতে নির্দেশনা দেওয়ায় তারা ডিলারদের দৈনিক চাহিদা কিংবা ট্যাংকলরির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে পারছে না। এ সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ভুগছেন ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ডিপো থেকে দূরে অবস্থিত পাম্প মালিকরা। অনেক ক্ষেত্রে ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাংক-লরি নিয়ে গেলেও ডিলারদের ৪ হাজার ৫০০ বা ৯ হাজার লিটার তেল নিয়ে ফিরতে বলা হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসায়িকভাবে ডিলাররা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

মালিক সমিতি আরও বলছে, কখনও কখনও ডিলারদের প্রয়োজনের বাইরে ডিজেলের সঙ্গে পেট্রোল বা অকটেন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট পাম্পে তখন সেই পরিমাণ পেট্রোল বা অকটেন সংরক্ষণের সক্ষমতা নাও থাকতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পণ্যের মূল্য পরিশোধের বিষয়টিও ডিলারদের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে।

পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির দাবি, জ্বালানি বিপণনের মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় অনেক সিদ্ধান্ত কার্যকর পর্যায়ে সমস্যার সৃষ্টি করছে। এসব ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার না করা হলে দেশে জ্বালানি তেল থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট ও উদ্বেগ তৈরি হতে পারে, যা ‘প্যানিক বাইং’ বা আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটাকে উসকে দিতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে ময়মনসিংহ বিভাগসহ গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার অনেক পাম্পে তেল পৌঁছানোর আগেই ডিজেলের মজুত শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটর চালাতে ডিজেলের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তার সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা যায় না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। টেলিফোন, এসএমএস বা চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কাজের অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেক ক্ষেত্রে সাড়া পাওয়া যায় না বলে দাবি সংগঠনটির।

পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো ধরনের রেশনিং ব্যবস্থা না রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow