মণিপুরে নতুন করে সহিংসতা, ইন্টারনেট বন্ধ

মণিপুরের উখরুল জেলার লিতান এলাকায় নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেটসেবা বন্ধ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে রোববার জেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২৫টি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, লিতান ও আশপাশের গ্রামগুলোতে নতুন করে অগ্নিসংযোগ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। দুটি প্রতিবেশী গ্রামের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এসব ঘটনা ঘটছে। রোববারের সহিংসতারই ধারাবাহিকতায় এই নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যদিও নতুন করে কতটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে সহিংসতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকেই লিতান ও আশপাশের এলাকার অনেক বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে শুরু করেন, কারণ তারা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইন্টারনেট বন্ধ কার্যকর করা হয়েছে। এটিকে প্রতিরোধমূলক ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়, বর্তমান অস্থির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিত

মণিপুরে নতুন করে সহিংসতা, ইন্টারনেট বন্ধ

মণিপুরের উখরুল জেলার লিতান এলাকায় নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে পাঁচ দিনের জন্য ইন্টারনেটসেবা বন্ধ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে রোববার জেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২৫টি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, লিতান ও আশপাশের গ্রামগুলোতে নতুন করে অগ্নিসংযোগ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। দুটি প্রতিবেশী গ্রামের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এসব ঘটনা ঘটছে। রোববারের সহিংসতারই ধারাবাহিকতায় এই নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যদিও নতুন করে কতটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে সহিংসতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার সকাল থেকেই লিতান ও আশপাশের এলাকার অনেক বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে শুরু করেন, কারণ তারা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইন্টারনেট বন্ধ কার্যকর করা হয়েছে। এটিকে প্রতিরোধমূলক ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, বর্তমান অস্থির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আশঙ্কা রয়েছে যে কিছু অসামাজিক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে জনগণকে উসকানি দিতে পারে। এতে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার মারাত্মক অবনতি ঘটতে পারে। ভুয়া খবর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়লে মানুষের জীবন ও সরকারি-বেসরকারি সম্পদের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রোববার রাতেই অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেন এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

কারফিউ আদেশে বলা হয়েছে, তাংখুল ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি ও জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে, যা মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে সোমবার উপ-মুখ্যমন্ত্রী লোসি দিখোর সভাপতিত্বে দুই পক্ষের নেতাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow