মতলব সেতুর সংযোগ সড়কে আবার ধস
চাঁদপুরের মতলবে ধনাগোদা নদীর ওপর নির্মিত মতলব সেতুর উত্তর সংযোগ সড়কে আবারও ধস দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণে সড়কের একাংশ দেবে গিয়ে বড় ধরনের সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হওয়ায় এলাকাবাসী ও চালকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সেতুর উত্তর পাশের বাইশপুর এলাকায় সংযোগ সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় আকারের সুড়ঙ্গ তৈরি হয়েছে। এতে সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ সড়ক চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ দিয়ে প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজারও মানুষ এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস আগেও একই স্থানে ধসের ঘটনা ঘটেছিল। পরে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংস্কার কাজ করলেও সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিতে আবারও সড়কটি দেবে যায়। পথচারী মো. মিজানুর রহমান বলেন, দিন-রাত এ সড়ক দিয়ে চলাচল করি। এখন রাস্তার যে অবস্থা, তাতে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. তানভীর হোসেন বলেন, এ জায়গাটি প্রায়ই ধসে যায়। কয়েক মাস আগে মেরামত করা হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে আবার নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি হয়েছে। ইউপি সদস্য গোলাম নবী খোকন বলেন, এভাবে বারবার ধস নামলে সেতুর নিরাপত্
চাঁদপুরের মতলবে ধনাগোদা নদীর ওপর নির্মিত মতলব সেতুর উত্তর সংযোগ সড়কে আবারও ধস দেখা দিয়েছে। টানা বর্ষণে সড়কের একাংশ দেবে গিয়ে বড় ধরনের সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হওয়ায় এলাকাবাসী ও চালকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সেতুর উত্তর পাশের বাইশপুর এলাকায় সংযোগ সড়কের নিচের মাটি সরে গিয়ে বড় আকারের সুড়ঙ্গ তৈরি হয়েছে। এতে সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ সড়ক চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ দিয়ে প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজারও মানুষ এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস আগেও একই স্থানে ধসের ঘটনা ঘটেছিল। পরে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সংস্কার কাজ করলেও সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিতে আবারও সড়কটি দেবে যায়।
পথচারী মো. মিজানুর রহমান বলেন, দিন-রাত এ সড়ক দিয়ে চলাচল করি। এখন রাস্তার যে অবস্থা, তাতে যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. তানভীর হোসেন বলেন, এ জায়গাটি প্রায়ই ধসে যায়। কয়েক মাস আগে মেরামত করা হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে আবার নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি হয়েছে।
ইউপি সদস্য গোলাম নবী খোকন বলেন, এভাবে বারবার ধস নামলে সেতুর নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে।
অটোরিকশাচালক আশরাফ আলী বলেন, বৃষ্টি হলেই এ জায়গাটা ভেঙে যায়। ভয় নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম ইশমাম জানান, ভারী বৃষ্টির কারণে সংযোগ সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতিমধ্যে মেরামত কাজ শুরু হয়েছে।
শরীফুল ইসলাম/এএইচ
What's Your Reaction?