মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ ‘ধুরন্ধর’, প্রধানমন্ত্রী মোদীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে বলিউড
গত বছরের ডিসেম্বরে মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দাপুটে ব্যবসা করছে সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। বক্স অফিস ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১২০০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে রণবীর কাপুর ও অক্ষয় কুমার অভিনীত সিনেমাটি। তবে বৈশ্বিক সাফল্যের মাঝেই ধাক্কা-মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সিনেমাটি। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও ওমানে ‘ধুরন্ধর’ প্রদর্শনের অনুমতি মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বারস্থ হলো বলিউডের প্রযোজক সংগঠন ‘দ্য ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার প্রোডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (আইএমপিপিএ)। প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ‘ধুরন্ধর’ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত একতরফা এবং এতে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের বড় ক্ষতি হচ্ছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে উল্লেখ করে চিঠিতে সিনেমাটির মুক্তিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের এসব দেশের সঙ্গে ভারতের নিয়মিত ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ রয়েছে। ভারতীয় বিনোদন শিল্পের স্বার্থে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও উল্লে
গত বছরের ডিসেম্বরে মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দাপুটে ব্যবসা করছে সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। বক্স অফিস ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১২০০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে রণবীর কাপুর ও অক্ষয় কুমার অভিনীত সিনেমাটি। তবে বৈশ্বিক সাফল্যের মাঝেই ধাক্কা-মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে সিনেমাটি।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও ওমানে ‘ধুরন্ধর’ প্রদর্শনের অনুমতি মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বারস্থ হলো বলিউডের প্রযোজক সংগঠন ‘দ্য ইন্ডিয়ান মোশন পিকচার প্রোডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (আইএমপিপিএ)।
প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ‘ধুরন্ধর’ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত একতরফা এবং এতে ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের বড় ক্ষতি হচ্ছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে উল্লেখ করে চিঠিতে সিনেমাটির মুক্তিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের এসব দেশের সঙ্গে ভারতের নিয়মিত ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ রয়েছে। ভারতীয় বিনোদন শিল্পের স্বার্থে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও উল্লেখ করে সংগঠনটি।
আরও পড়ুন:
‘ধুরন্ধর’ এখন ভারতের সর্বাধিক আয় করা হিন্দি সিনেমা
জন্মদিনে ভয়ংকর রূপে ফিরলেন যশ
ছবিটির পরিবেশক পর্ণব কাপাডিয়া এর আগেই জানিয়েছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অ্যাকশনধর্মী সিনেমার বাজার অত্যন্ত শক্তিশালী। সেই বাজারে ‘ধুরন্ধর’ মুক্তি না পাওয়ায় প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৯০ কোটি রুপির ব্যবসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে সিনেমাটি। মুক্তি পেলে অনায়াসেই এই আয় অর্জন করা সম্ভব ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মধ্যপ্রাচ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে এবার সরাসরি সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে সক্রিয় হলো বলিউডের প্রভাবশালী প্রযোজক সংগঠন।
এমএমএফ
What's Your Reaction?