মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জে ঈদুল আজহার নামাজ

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন একদল মুসল্লি। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকায় অবস্থিত শাহ সুফি মমতাজিয়া মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।  একই দিনে এর আগে সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করেন অনুসারীরা। ঈদের নামাজ ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাবুদ্দিন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিশু, কিশোর ও বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী মুসল্লিদের ঈদের জামাতে অংশ নিতে দেখা যায়। অনেকেই ছাতা হাতে ও ভিজে কাপড়ে নামাজ আদায় করেন। জামাতকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশ। স্থানীয় মুসল্লি আব্দুল কাদের বলেন, আমরা প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছি। বৈরী আবহাওয়া থাকলেও ঈদের আনন্দে কোনো ঘাটতি ছিল না।

মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জে ঈদুল আজহার নামাজ

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন একদল মুসল্লি। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকায় অবস্থিত শাহ সুফি মমতাজিয়া মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। 

একই দিনে এর আগে সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করেন অনুসারীরা।

ঈদের নামাজ ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাবুদ্দিন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করেন।

বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিশু, কিশোর ও বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী মুসল্লিদের ঈদের জামাতে অংশ নিতে দেখা যায়। অনেকেই ছাতা হাতে ও ভিজে কাপড়ে নামাজ আদায় করেন। জামাতকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দঘন পরিবেশ।

স্থানীয় মুসল্লি আব্দুল কাদের বলেন, আমরা প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছি। বৈরী আবহাওয়া থাকলেও ঈদের আনন্দে কোনো ঘাটতি ছিল না।

আরেক মুসল্লি মোহাম্মদ সোহেল জানান, বৃষ্টির মধ্যেও সবাই একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। নামাজ শেষে কোরবানির প্রস্তুতি নিয়েছি। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের দিনটি আনন্দে কাটানোর চেষ্টা করছি।

প্রবীণ মুসল্লি হাফেজ নুরুল ইসলাম বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ ও ত্যাগের শিক্ষা। আবহাওয়া খারাপ থাকলেও মানুষ ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে আন্তরিক ছিল।

নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোরবানির পশু জবাইয়ের প্রস্তুতি নেন। শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow