মনখারাপ আর দুশ্চিন্তার কারণ জানেন?
আপনি বুঝে উঠতে পারছেন না, হঠাৎ কেন মনটা খারাপ। মুড অফ লাগছে, অথচ তার কোনো স্পষ্ট কারণও খুঁজে পাচ্ছেন না। উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠার মতো বড় কিছু ঘটেনি, তবু দুশ্চিন্তার আবহ কাটছে না। ধীরে ধীরে মন ডুবে যাচ্ছে অবসাদের দিকে। কোনো কাজেই আগ্রহ নেই, উৎসাহ নেই। আশ্চর্যের বিষয় হলো—এর জন্য দায়ী হতে পারে আপনারই কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস। অনেক সময়ই এমন হয়, যখন কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই মন ভার হয়ে আসে। কিছু করতে ভালো লাগে না, নিজের ভেতরেই গুটিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। তখন আমরা খুব সহজেই বলে দিই—‘মন ভালো নেই’। মাঝেমধ্যে মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক, সবার জীবনেই এমন সময় আসে। অনেক ক্ষেত্রে আবার কোনো চিকিৎসা ছাড়াই মন নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়, তা রোগের পর্যায়ে পৌঁছায় না। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থাটা চলতে থাকলে এবং তা জটিল আকার নিলে, সেটি হতে পারে ‘মুড ডিজঅর্ডার’—একটি মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত। যখন মনখারাপ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা জরুরি। কেন মন ভালো নেই—এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। মনোবিদদের মতে, আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসও এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। সকাল থেকে রাত পর্যন
আপনি বুঝে উঠতে পারছেন না, হঠাৎ কেন মনটা খারাপ। মুড অফ লাগছে, অথচ তার কোনো স্পষ্ট কারণও খুঁজে পাচ্ছেন না। উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠার মতো বড় কিছু ঘটেনি, তবু দুশ্চিন্তার আবহ কাটছে না। ধীরে ধীরে মন ডুবে যাচ্ছে অবসাদের দিকে। কোনো কাজেই আগ্রহ নেই, উৎসাহ নেই। আশ্চর্যের বিষয় হলো—এর জন্য দায়ী হতে পারে আপনারই কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস।
অনেক সময়ই এমন হয়, যখন কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই মন ভার হয়ে আসে। কিছু করতে ভালো লাগে না, নিজের ভেতরেই গুটিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। তখন আমরা খুব সহজেই বলে দিই—‘মন ভালো নেই’। মাঝেমধ্যে মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক, সবার জীবনেই এমন সময় আসে। অনেক ক্ষেত্রে আবার কোনো চিকিৎসা ছাড়াই মন নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়, তা রোগের পর্যায়ে পৌঁছায় না। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থাটা চলতে থাকলে এবং তা জটিল আকার নিলে, সেটি হতে পারে ‘মুড ডিজঅর্ডার’—একটি মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত।
যখন মনখারাপ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা জরুরি। কেন মন ভালো নেই—এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। মনোবিদদের মতে, আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসও এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা যে কাজগুলো করি, যে জীবনযাপন করি, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে মনখারাপের অজানা বীজ।
কর্টিসল হরমোনের অত্যধিক ক্ষরণ হলে তবেই মনখারাপ বেশি হয়। মানসিক চাপও বাড়ে। এই হরমোনের ক্ষরণ বেশি হতে পারে নানা কারণে। যেমন— কম ঘুম, নেশার প্রকোপ, বেশি জাঙ্কফুড খাওয়ার অভ্যাস এবং শরীরচর্চা একেবারেই না করা। প্রতিদিনের কিছু কাজ কর্টিসল হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিতে পারে, সেগুলো জেনে রাখা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন অভ্যাসের কারণে মনের চাপ বাড়ছে—
অফিসের কাজ বাড়িতেও নিয়ে আসার অভ্যাস যাদের রয়েছে কিংবা যারা রাত করে বাড়ি ফিরে আবার সকাল হতেই অফিস যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেন কিংবা যারা রাত জেগে সিনেমা দেখে বা সামাজিক মাধ্যমের পাতায় নজর রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেন, তাদের রাতে অনেক সময়েই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। কম ঘুম কর্টিসলের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মানসিক চাপও বাড়ে। একই সঙ্গে হরমোনের গোলমালের কারণে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে থাকে।
What's Your Reaction?