মনু নদীর বাঁধ ভেঙে পানিবন্দি ৭ হাজার মানুষ
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর এলাকায় মনু নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) বিকেলে মনু নদীর এই অংশে ১শ থেকে দেড়শ গজের মতো জায়গায় এই ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনের ফলে হরিপাশা, উজিরপুর, একামধু, কান্দিরকুল গ্রামের ৭ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। নদী ভাঙনের ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা নিম্ন এলাকার মানুষের গবাদি পশুসহ জরুরি জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। নদীর ভাঙনে ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। একামধু গ্রামের মকদ্দুস মিয়া ও গিয়াস মিয়া বলেন, বাড়িতে পানি ওঠায় আমরা মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছি। ছেলে সন্তানদের নিয়ে থাকার জায়গা না থাকায় এখানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হলাম। এখন কীভাবে খাওয়া দাওয়া হবে পরিবারের তার কিছুই জানি না। কান্দিরকুল গ্রামের পৃথ্বী রানী ও খায়রুন বেগম বলেন, বাঁধ ভেঙে আমাদের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। আমরা গবাদি পশুসহ জরুরি জিনিসপত্র নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছি। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মনু নদীর রেলওয়ে
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর এলাকায় মনু নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) বিকেলে মনু নদীর এই অংশে ১শ থেকে দেড়শ গজের মতো জায়গায় এই ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনের ফলে হরিপাশা, উজিরপুর, একামধু, কান্দিরকুল গ্রামের ৭ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
নদী ভাঙনের ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা নিম্ন এলাকার মানুষের গবাদি পশুসহ জরুরি জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। নদীর ভাঙনে ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ।
একামধু গ্রামের মকদ্দুস মিয়া ও গিয়াস মিয়া বলেন, বাড়িতে পানি ওঠায় আমরা মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে আশ্রয় নিয়েছি। ছেলে সন্তানদের নিয়ে থাকার জায়গা না থাকায় এখানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হলাম। এখন কীভাবে খাওয়া দাওয়া হবে পরিবারের তার কিছুই জানি না।
কান্দিরকুল গ্রামের পৃথ্বী রানী ও খায়রুন বেগম বলেন, বাঁধ ভেঙে আমাদের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। আমরা গবাদি পশুসহ জরুরি জিনিসপত্র নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছি।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মনু নদীর রেলওয়ে এলাকায় বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার, মনু নদীর চাঁদনীঘাট অংশে বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে, ধলাই নদীর ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া কুশিয়ারা নদীর ২২ সেন্টিমিটার ও জুড়ী নদীর পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল সিকদার বলেন, যে স্থানে বাঁধ ভেঙেছে সেটা আটকানোর মতো অবস্থায় নেই। এলাকার মানুষকে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে যাতে তারা গবাদিপশুসহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।
তিনি বলেন, যদি বৃষ্টি হয় তাহলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ার আশংকা রয়েছে। বর্তমানে আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া শুকনো খাবার বিতরণ করছি।
What's Your Reaction?