মনোহরগঞ্জে এলপিজির সংকট, দ্বিগুণ দামে বিক্রি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহ স্বল্পতার কারণে বাজারে গ্যাসের বোতল মিলছে না বললেই চলে। আর যেখানে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণীরা। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে আবার লাকড়ির চুলায় রান্নায় ফিরে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানেই এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কোথাও-বা অল্প কিছু মজুত থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়, যা সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ গ্যাস কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। মনোহরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের বোতল আসছে না। আমরা নিজেরাও বাসায় গ্যাসের অভাবে রান্না করতে পারছি না। বেশিরভাগ পরিবার এখন লাকড়ির চুলার ওপর নির্ভর করছে, এতে কষ্ট অনেক বেড়েছে।’ ভুক্তভোগী ও ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘বাজারে গ্যাসের সংকটকে পুঁজি করে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। অনেকেই গুদামে মজুত রেখে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছে। প্রশাসনের তদারকি যথেষ্ট নয় বলেই এই অনিয়ম বাড়

মনোহরগঞ্জে এলপিজির সংকট, দ্বিগুণ দামে বিক্রি
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। সরবরাহ স্বল্পতার কারণে বাজারে গ্যাসের বোতল মিলছে না বললেই চলে। আর যেখানে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন গৃহিণীরা। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে আবার লাকড়ির চুলায় রান্নায় ফিরে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানেই এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কোথাও-বা অল্প কিছু মজুত থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়, যা সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ গ্যাস কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। মনোহরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে বাজারে গ্যাসের বোতল আসছে না। আমরা নিজেরাও বাসায় গ্যাসের অভাবে রান্না করতে পারছি না। বেশিরভাগ পরিবার এখন লাকড়ির চুলার ওপর নির্ভর করছে, এতে কষ্ট অনেক বেড়েছে।’ ভুক্তভোগী ও ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘বাজারে গ্যাসের সংকটকে পুঁজি করে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। অনেকেই গুদামে মজুত রেখে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছে। প্রশাসনের তদারকি যথেষ্ট নয় বলেই এই অনিয়ম বাড়ছে।’ এদিকে গ্যাস ব্যবসায়ী মো. আহসান হাবিব মজুমদার বলেন, ‘কোম্পানিগুলো নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করছে না। মাঝে মাঝে অল্প কিছু সিলিন্ডার দিলেও আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়। অনেক সময় ক্রয়ের রসিদও দেয় না। ফলে বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’ মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। লক্ষণপুর, নাথেরপেটুয়া ও বিপুলাসারসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে। অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow