মব করে বিজিবির কাছ থেকে চোরাইপণ্যের গাড়ি ছাড়িয়ে নিলো চোরাকারবারিরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির কাছ থেকে চোরাই পণ্যবোঝাই একটি গাড়ি ছাড়িয়ে নিয়েছে চোরাকারবারিরা। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলারও চেষ্টা করা হয় বলে জানা গেছে। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কসবার সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে চোরাইপণ্য এনে নয়নপুর বাজারে গুদামে রাখে চোরাকারবারিরা। পরে সুযোগ বুঝে গাড়িতে করে চোরাইপণ্য বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়। বুধবার দুপুরে কয়েকজন চোরাকারবারি একটি পিকআপ ভ্যানে করে চোরাইপণ্য পাচারের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে পিকআপটিকে জব্দ করে। এসময় চোরাকারবারিরা পণ্যগুলো বৈধ দাবি করে পিকআপটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিজিবি সদস্যদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে সেখানে আরও লোকজন জড়ো হয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করে চোরাকারবারিরা। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে জব্দকৃত গাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয় বিজিবি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস. এম. শফিুল ইসলাম বলেন, চোরকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে মব সৃষ্টি করে জব্দকৃত গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিজিবির কাছ থেকে চোরাই পণ্যবোঝাই একটি গাড়ি ছাড়িয়ে নিয়েছে চোরাকারবারিরা।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলারও চেষ্টা করা হয় বলে জানা গেছে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কসবার সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে চোরাইপণ্য এনে নয়নপুর বাজারে গুদামে রাখে চোরাকারবারিরা। পরে সুযোগ বুঝে গাড়িতে করে চোরাইপণ্য বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হয়।
বুধবার দুপুরে কয়েকজন চোরাকারবারি একটি পিকআপ ভ্যানে করে চোরাইপণ্য পাচারের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে পিকআপটিকে জব্দ করে। এসময় চোরাকারবারিরা পণ্যগুলো বৈধ দাবি করে পিকআপটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিজিবি সদস্যদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে সেখানে আরও লোকজন জড়ো হয়ে মব সৃষ্টির চেষ্টা করে চোরাকারবারিরা। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে জব্দকৃত গাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয় বিজিবি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এস. এম. শফিুল ইসলাম বলেন, চোরকারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে মব সৃষ্টি করে জব্দকৃত গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে গুলি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে রক্তপাত এড়াতে বাধ্য হয়ে জব্দকৃত গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আবুল হাসনাত মো. রাফি/ইএ
What's Your Reaction?