মমতার চপ-মুড়ির পাল্টা নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি
পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্ৰামের নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রচারের শেষে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশে গাড়িতে করে হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই তার গাড়ি থেমে গেল। বুলেটপ্রুফ গাড়ি থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসলেন মোদী। রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি দোকানের সামনে ঝুলছে বিভিন্ন রকমে চাল ভাজা, চিড়া ভাজা, চানাচুর, বাদাম, মুড়িসহ রকমারি মুখরোচক ভাজা খাবার। দোকানে হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গিয়ে বলেন, ভাই, ঝালমুড়ি খাওয়ান তো। প্রধানমন্ত্রী মুড়ি খাবেন শুনে খানিকটা হকচকিয়ে যায় দোকানি বিক্রম কুমার সাউ। এরপরেই বিক্রেতাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভাই, আপনার কাছে ভালো ঝালমুড়ি আছে সেটা খাওয়ান। কত দাম আপনার ঝাল মুড়ির? এরপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলে ওঠেন, ভালো ঝাল মুড়ির দাম কত? বিক্রম টাকা নিতে দ্বিধা করছিলেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব হয় না। ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম কুমার সাউ বলেন, দশ -কুড়ি রুপি। এরপরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পকেট থেকে দশ রুপি বের করে ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমের হাতে তুলে দেন। মুড়ি মাখতে মাখতে বিক্রম কুমার সাউ বাংলায় বল
পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্ৰামের নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রচারের শেষে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশে গাড়িতে করে হেলিপ্যাডের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই তার গাড়ি থেমে গেল। বুলেটপ্রুফ গাড়ি থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসলেন মোদী।
রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি দোকানের সামনে ঝুলছে বিভিন্ন রকমে চাল ভাজা, চিড়া ভাজা, চানাচুর, বাদাম, মুড়িসহ রকমারি মুখরোচক ভাজা খাবার। দোকানে হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গিয়ে বলেন, ভাই, ঝালমুড়ি খাওয়ান তো।
প্রধানমন্ত্রী মুড়ি খাবেন শুনে খানিকটা হকচকিয়ে যায় দোকানি বিক্রম কুমার সাউ। এরপরেই বিক্রেতাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভাই, আপনার কাছে ভালো ঝালমুড়ি আছে সেটা খাওয়ান। কত দাম আপনার ঝাল মুড়ির?
এরপরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলে ওঠেন, ভালো ঝাল মুড়ির দাম কত? বিক্রম টাকা নিতে দ্বিধা করছিলেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব হয় না। ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম কুমার সাউ বলেন, দশ -কুড়ি রুপি।
এরপরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পকেট থেকে দশ রুপি বের করে ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রমের হাতে তুলে দেন। মুড়ি মাখতে মাখতে বিক্রম কুমার সাউ বাংলায় বলেন, পেঁয়াজ খাবেন তো? প্রশ্নের-উত্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, পেঁয়াজ খাই। শুধু দিমাগ (মাথা) খাই না। তারপরেই ঠোঙায় ঝাল মুড়ি নিয়ে নিজেও খেলেন এবং পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ক্ষুদে ভক্ত ও অন্যদের হাতেও দিলেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর চোখে মুখে খুশির ঝলক নিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা বিক্রম কুমার সাউ বলেন, আমার এখানে এসে আমার নাম কি জিজ্ঞেস করলো। তারপর আমাকে বলল, মসলা মুড়ি বানাও। আমি মসলা মুড়ি বানিয়ে দিলাম সেটা খেলেন। মুড়ি খেয়ে বললেন খুব ভালো হয়েছে। বাচ্চাদেরও মুড়ি খাওয়ালেন। বাবার নাম জিজ্ঞেস করলো। তারপর বলল, কত রোজগার হয় এই দোকান থেকে। আমি বললাম হয়ে যায়।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে বিভিন্ন সময়ে জেলা সফরে গিয়ে প্রায়ই এ ধরনের জনসংযোগ করতে দেখা যায়। মুখ্যমন্ত্রীকে কখনো চা বানাতে দেখা যায় আবার কখনো সময় রাস্তার ধারে থাকা চপের দোকানে দাঁড়িয়ে চপ ভাঁজতে দেখা যায়। তিনি নিজের হাতে ভাজা চপ এবং মুড়ি নিজেও খেতেন এবং পাশে থাকা কর্মীদেরও চপ মুড়ি কিনে দিতেন।
এবার পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও দেখা গেল সহজ জনসংযোগ করতে। এই ঘটনার পর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতার চপ মুড়ির পাল্টা নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি।
ডিডি/টিটিএন
What's Your Reaction?