মমতাসহ তৃণমূলের ৩৫ মন্ত্রীর ২২ জনই নিজ আসনে পরাজিত, কীসের ইঙ্গিত
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনে দলটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ মোট ২২ জন মন্ত্রী নিজেদের আসনে পরাজিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) হিন্দুস্থান টাইমস প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের মোট ৩৫ জন মন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাদের মধ্যে হেরেছেন ২২ জন, যা মোট সংখ্যার প্রায় ৬৩ শতাংশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটাররা শুধু প্রার্থীদের নয়, বরং দলের সামগ্রিক নেতৃত্বকেই প্রত্যাখ্যান করেছেন। পরাজিত মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ভবানীপুর), অরূপ বিশ্বাস (টালিগঞ্জ), ব্রাত্য বসু (দমদম), চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (দমদম উত্তর), শশী পাঞ্জা (শ্যামপুকুর), সুজিত বসু (বিধাননগর), ইন্দ্রনীল সেন (চন্দননগর), বেচারাম মান্না (সিঙ্গুর), স্বপন দেবনাথ (পূর্বস্থলী দক্ষিণ), বুলু চিক বারাইক (মাল), প্রদীপ কুমার মজুমদার (দুর্গাপুর পূর্ব), বীরবাহা হাঁসদা (বিনপুর), মানস রঞ্জন ভূঁইয়া (সবং), মলয় ঘটক (আসানসোল উত্তর), সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী (মন্টেশ্বর), উদয়ন গুহ (দিনহাটা), সন্ধ্যারানি টুডু (মানবাজার), বঙ্কিমচন্দ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনে দলটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ মোট ২২ জন মন্ত্রী নিজেদের আসনে পরাজিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ মে) হিন্দুস্থান টাইমস প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের মোট ৩৫ জন মন্ত্রী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তাদের মধ্যে হেরেছেন ২২ জন, যা মোট সংখ্যার প্রায় ৬৩ শতাংশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটাররা শুধু প্রার্থীদের নয়, বরং দলের সামগ্রিক নেতৃত্বকেই প্রত্যাখ্যান করেছেন।
পরাজিত মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ভবানীপুর), অরূপ বিশ্বাস (টালিগঞ্জ), ব্রাত্য বসু (দমদম), চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (দমদম উত্তর), শশী পাঞ্জা (শ্যামপুকুর), সুজিত বসু (বিধাননগর), ইন্দ্রনীল সেন (চন্দননগর), বেচারাম মান্না (সিঙ্গুর), স্বপন দেবনাথ (পূর্বস্থলী দক্ষিণ), বুলু চিক বারাইক (মাল), প্রদীপ কুমার মজুমদার (দুর্গাপুর পূর্ব), বীরবাহা হাঁসদা (বিনপুর), মানস রঞ্জন ভূঁইয়া (সবং), মলয় ঘটক (আসানসোল উত্তর), সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী (মন্টেশ্বর), উদয়ন গুহ (দিনহাটা), সন্ধ্যারানি টুডু (মানবাজার), বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা (সাগর), উজ্জ্বল বিশ্বাস (কৃষ্ণনগর দক্ষিণ), স্নেহাশিস চক্রবর্তী (জাঙ্গিপাড়া), শ্রীকান্ত মাহাতো (শালবনি), সত্যজিৎ বর্মন (হেমতাবাদ)।
নির্বাচনে শিল্প, শিক্ষা, বিদ্যুৎ, পরিবহন, নারী ও শিশু উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়নসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীদের হারের পর মমতা প্রশাসনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ফলাফল রাজ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং বিজেপির উত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের তৃণমূল শাসনের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।
What's Your Reaction?