মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে। সোমবার (২৯ জুন) সকালে হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মারা যাওয়া শিশুটি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার নয় মাস বয়সি এক ছেলে। গত ২৭ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে আরও ২৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২৭ শিশু। গত ১৭ মার্চ থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২ হাজার ৪২৭ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২ হাজার ২৭২ জন। বর্তমানে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯৫ শিশু। হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমা
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মারা যাওয়া শিশুটি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার নয় মাস বয়সি এক ছেলে। গত ২৭ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে আরও ২৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২৭ শিশু।
গত ১৭ মার্চ থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২ হাজার ৪২৭ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২ হাজার ২৭২ জন। বর্তমানে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯৫ শিশু।
হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বর্তমানে রোগীর চাপ ধীরে ধীরে কমছে। প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও কমেছে এবং অনেক শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে। তবে পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি।’ তাই শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে নবজাতকদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অত্যাধুনিক এনআইসিইউ সরঞ্জাম এসে পৌঁছেছে। শিগ্গিরই এসব যন্ত্রপাতি স্থাপন ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করে পূর্ণাঙ্গভাবে সেবা চালু করা হবে। এনআইসিইউ চালু হলে সংকটাপন্ন নবজাতকদের আরও আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে, যা শিশু মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
হোসাইন সুলভ/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?