মরা গোগালী ছড়া খালের নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মরা গোগালী ছড়া খালের প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজে নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কুলাউড়া পৌরসভার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ‘মরা গোগালী ছড়া খালের’ উভয়পাড়ে ৯০০ মিটার প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজ করছে মাহিয়া এন্টারপ্রাইজ। ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে বিরুদ্ধে নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা কবলিত পৌরসভার বাদে মনসুর এলাকায় যেভাবে নিম্নমানের পাথর ব্যবহার করে ব্লক ও প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে এটা কোনো কাজে আসবে না।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় পৌর এলাকায় কয়েকটি উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে যান মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মরাগুগালী ছড়া খালের প্যালাসাইডিং কাজে ব্যবহৃত ব্লক ও ব্রিজের নির্মাণ কাজে যে পাথরগুলো দিয়ে কাজ করা হচ্ছে সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। ব্লক যেভাবে হওয়ার কথা সেভাবে টেকসই হয়নি, এটা কয়দিন টিকবে জানি না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সঠিকভাবে কাজ করতে নির্দেশনা দিয়েছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ১ কোটি ৯৭
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় মরা গোগালী ছড়া খালের প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজে নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কুলাউড়া পৌরসভার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ‘মরা গোগালী ছড়া খালের’ উভয়পাড়ে ৯০০ মিটার প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজ করছে মাহিয়া এন্টারপ্রাইজ। ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে বিরুদ্ধে নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যা কবলিত পৌরসভার বাদে মনসুর এলাকায় যেভাবে নিম্নমানের পাথর ব্যবহার করে ব্লক ও প্যালাসাইডিং নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে এটা কোনো কাজে আসবে না।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় পৌর এলাকায় কয়েকটি উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে যান মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মরাগুগালী ছড়া খালের প্যালাসাইডিং কাজে ব্যবহৃত ব্লক ও ব্রিজের নির্মাণ কাজে যে পাথরগুলো দিয়ে কাজ করা হচ্ছে সেগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। ব্লক যেভাবে হওয়ার কথা সেভাবে টেকসই হয়নি, এটা কয়দিন টিকবে জানি না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সঠিকভাবে কাজ করতে নির্দেশনা দিয়েছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ব্যয়ে মরা গোগালী ছড়া খালের উভয়পাড়ে ৯০০ মিটার প্যালাসাইডিং কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় মাহিয়া এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর এ কাজের উদ্বোধন করেন পৌরসভার প্রশাসক মো. মহিউদ্দিন ও মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাহিয়া এন্টারপ্রাইজের সাইট ম্যানেজার তাপস বলেন, পাথরগুলো সিলেটে ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট অফিস ও পানি উন্নয়ন বোর্ড দেখার পর কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই হিসেবে আমরা কাজ করছি।
এ বিষয়ে কুলাউড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম বলেন, এ কাজে আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই। কাজ তদারকির দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ বলেন, মরা গোগালী ছড়ায় প্যালাসাইডিং কাজে ব্যবহৃত পাথর ও রড পরীক্ষার জন্য প্রথমে সিলেটে ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে থেকে রিপোর্ট ভালো এসেছে। এছাড়া ঢাকা থেকে একটি বিশেষজ্ঞ টিম এসে ব্লকগুলোর গুণগত মান পরীক্ষার জন্য কিছু ব্লক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেটির রিপোর্ট এখনো আসেনি। কাজের মান ভালো হওয়ার জন্য আমাদের তদারকি রয়েছে।