মশক নিধনে খুলনা নগরীতে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে খুলনা মহানগরীতে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। শনিবার (১৪ মার্চ) সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের এরশাদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত ক্রাশ প্রোগ্রাম কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রস্তুতিমূলকভাবে এই বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তারই অংশ হিসেবে খুলনায় এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে এমনভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে যেন জনগণ স্বপ্রণোদিতভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নর্দমাসমূহ পরিষ্কার করবে। কিন্তু জনগণের দায়িত্ব হচ্ছে নর্দমায় এবং যে কোন জলাশয়ে কেউ যেন বর্জ্য না ফেলেন। তিনি পরিচ্ছন্নতা কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এবং জনসাধারণকে নির্ধারি

মশক নিধনে খুলনা নগরীতে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে খুলনা মহানগরীতে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)।

শনিবার (১৪ মার্চ) সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের এরশাদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত ক্রাশ প্রোগ্রাম কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এসময় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রস্তুতিমূলকভাবে এই বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তারই অংশ হিসেবে খুলনায় এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে এমনভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে যেন জনগণ স্বপ্রণোদিতভাবে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ কাজে অংশগ্রহণ করেন।

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নর্দমাসমূহ পরিষ্কার করবে। কিন্তু জনগণের দায়িত্ব হচ্ছে নর্দমায় এবং যে কোন জলাশয়ে কেউ যেন বর্জ্য না ফেলেন। তিনি পরিচ্ছন্নতা কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন এবং জনসাধারণকে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, কেসিসির এই বিশেষ উদ্যোগের পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ বাড়িতে থাকা ফুলের টব, ড্রাম, অব্যবহৃত বালতি বা পরিত্যক্ত টায়ারে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখাতে হবে। সকলের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই মরণঘাতী রোগের সংক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করা সম্ভব হবে।

এসময় খুলনা জেলা প্রশাসক আ স ম জামসেদ খোন্দকার, স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, কেসিসি সচিব আরিফুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরিফুর রহমান/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow