মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে গবেষণাভিত্তিক সমাধানে জোর দিতে চসিক মেয়রের আহ্বান
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মশাবাহিত রোগ, বিশেষ করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে কেবল সাময়িক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এর জন্য গবেষণাভিত্তিক, আধুনিক ও টেকসই সমাধান গ্রহণ করা জরুরি। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক মানবিক চিকিৎসা সংস্থা এমএসএফ’র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। নগরভবনে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ডা. শাহাদাত হোসে বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কার্যকর ওষুধ এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটালে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে এমএসএফের কারিগরি সহায়তা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও গবেষণালব্ধ সমাধান কাজে লাগানো যেতে পারে। মশাবাহিত রোগের প্রকৃতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় সর্বশেষ মেডিকেল সল্যুশন, আধুনিক স্প্রে যন্ত্রপাতি ও টেকনিক্যাল গাইডলাইনের প্রয়োজন রয়েছে। মেয়র বলেন, এডিস প্রজাতির মশা মূলত স্বচ্ছ পানিতে জন্মায়, যা অনেক সময় অল্প পরিমাণ পানিতেও সম্ভব। প্লাস্টিক, বোতল, টব, টায়ারসহ যে কোনো খোলা পাত্রে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের বড় উৎস। তাই নাগরিক সচেতনতা অত্যন্ত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মশাবাহিত রোগ, বিশেষ করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে কেবল সাময়িক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এর জন্য গবেষণাভিত্তিক, আধুনিক ও টেকসই সমাধান গ্রহণ করা জরুরি।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক মানবিক চিকিৎসা সংস্থা এমএসএফ’র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। নগরভবনে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. শাহাদাত হোসে বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কার্যকর ওষুধ এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটালে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে এমএসএফের কারিগরি সহায়তা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও গবেষণালব্ধ সমাধান কাজে লাগানো যেতে পারে। মশাবাহিত রোগের প্রকৃতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় সর্বশেষ মেডিকেল সল্যুশন, আধুনিক স্প্রে যন্ত্রপাতি ও টেকনিক্যাল গাইডলাইনের প্রয়োজন রয়েছে।
মেয়র বলেন, এডিস প্রজাতির মশা মূলত স্বচ্ছ পানিতে জন্মায়, যা অনেক সময় অল্প পরিমাণ পানিতেও সম্ভব। প্লাস্টিক, বোতল, টব, টায়ারসহ যে কোনো খোলা পাত্রে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তারের বড় উৎস। তাই নাগরিক সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য অবহেলাতেও লার্ভা তৈরি হতে পারে; তবে সঠিক সচেতনতা ও উদ্যোগ মশা নিয়ন্ত্রণে বড় অগ্রগতি আনতে পারে।
সভায় এমএসএফ প্রতিনিধিরা জানান, ২০১৯ সালে সংক্রমণ বেশি ছিল আগস্ট মাসে। ২০২১ ও ২০২২ সালে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ২০২৩ সালে তা আবার আশঙ্কাজনক রূপ নেয়। বর্তমানে ডেঙ্গি আর মৌসুমি রোগ নয়; বরং সারা বছরব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। ২০২৪ সালের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার কারণে মৃত্যুহার আগের তুলনায় কমেছে।
তারা বলেন, ডেঙ্গি মোকাবিলা একটি সম্মিলিত যুদ্ধ। সরকার, সিটি করপোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহিসহ অন্যরা।
What's Your Reaction?