মসজিদ স্থানান্তর করে ওই জায়গা অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে?
প্রশ্ন: আমাদের গ্রামে একটি ছোট পুরনো মসজিদ আছে। ওই মসজিদ সম্প্রসারণের উপায় নেই। তাই গ্রামের মানুষ মসজিদটি অন্য জায়গায় স্থানান্তর করতে চায়। মসজিদের জন্য বড় জায়গাও পাওয়া গেছে। প্রশ্ন হলো, এভাবে মসজিদ স্থানান্তর করা কি জায়েজ? আর মসজিদ স্থানান্তরের পর ওই জায়গা কী ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে? উত্তর: ইসলামে মসজিদ স্থানান্তর করা জায়েজ নয়। কোনো জায়গায় একবার মসজিদ বানানো হলে তা সব সময় মসজিদ হিসেবে বহাল রাখা জরুরি। ওই জায়গা মসজিদ ছাড়া অন্য যে কোনো কাজে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। ওই মসজিদটি সম্প্রসারণ করা না গেলে আপনারা অন্য জায়গাটিতে বড় মসজিদ করুন, এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু পুরনো মসজিদটিকেও মসজিদ হিসেবেই বহাল রাখতে হবে, আবাদও রাখতে হবে। ইসলামে মসজিদ আবাদ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ আর মসজিদ নষ্ট বা বিরান করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতাআলা মসজিদকে নিজের দিকে সম্পৃক্ত করে মসজিদ নির্মাণ ও আবাদকারীদের নেক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে বলেন, একমাত্র তারাই আল্লাহর মসজিদসমূহ আবাদ করবে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ইমান রাখে, নামাজ কায়েম করে, জাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে
প্রশ্ন: আমাদের গ্রামে একটি ছোট পুরনো মসজিদ আছে। ওই মসজিদ সম্প্রসারণের উপায় নেই। তাই গ্রামের মানুষ মসজিদটি অন্য জায়গায় স্থানান্তর করতে চায়। মসজিদের জন্য বড় জায়গাও পাওয়া গেছে। প্রশ্ন হলো, এভাবে মসজিদ স্থানান্তর করা কি জায়েজ? আর মসজিদ স্থানান্তরের পর ওই জায়গা কী ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: ইসলামে মসজিদ স্থানান্তর করা জায়েজ নয়। কোনো জায়গায় একবার মসজিদ বানানো হলে তা সব সময় মসজিদ হিসেবে বহাল রাখা জরুরি। ওই জায়গা মসজিদ ছাড়া অন্য যে কোনো কাজে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
ওই মসজিদটি সম্প্রসারণ করা না গেলে আপনারা অন্য জায়গাটিতে বড় মসজিদ করুন, এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু পুরনো মসজিদটিকেও মসজিদ হিসেবেই বহাল রাখতে হবে, আবাদও রাখতে হবে।
ইসলামে মসজিদ আবাদ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ আর মসজিদ নষ্ট বা বিরান করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়াতাআলা মসজিদকে নিজের দিকে সম্পৃক্ত করে মসজিদ নির্মাণ ও আবাদকারীদের নেক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে বলেন, একমাত্র তারাই আল্লাহর মসজিদসমূহ আবাদ করবে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ইমান রাখে, নামাজ কায়েম করে, জাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না। আশা করা যায়, তারা হিদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সুরা বাকারা: ১৮)
আরেক আয়াতে মসজিদ বিরান করার প্রচেষ্টাকে বড় জুলুম আখ্যা দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, তার চেয়ে বড় জলিম কে, যে আল্লাহর মাসজিদসমূহে তাঁর নাম স্মরণ করা থেকে বাধা প্রদান করে এবং তা বিরান করার চেষ্টা করে? তাদের তো উচিৎ ছিল ভীত হয়ে তাতে প্রবেশ করা। তাদের জন্য দুনিয়ায় রয়েছে লাঞ্ছনা আর আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। (সুরা বাকারাধ ১১৪)
ওএফএফ
What's Your Reaction?