মহাস্থানগড়ের সীমানার মধ্যে যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা
মহাস্থানগড়ে নির্মাণকাজের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এতে করে, মহাস্থানগড়ের সীমানার মধ্যে যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রইলো। একইসঙ্গে আপিল দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রোববার (৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি জানান, এইচআরপিবির করা জনস্বার্থের মামলায় মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়ে ২০১২ সালে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করলে তার ওপর শুনানি শেষে আজ আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আরও পড়ুন হাইকোর্টে ১১ কার্যদিবসে ৫৭ হাজারের বেশি মামলা নিষ্পত্তি মনজিল মোরসেদ আরও জানান, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি মহাস্থানগড়ে আগত নারীদের নামাজের স্থান ও ওয়াশরুম তৈরির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানান।মহাস্থানগড়ের ভেতর নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা থাকায় এসব কাজ করার জন্য রায় সংশোধনের আবেদন জানান। তারই ধারাবাহিকতায়
মহাস্থানগড়ে নির্মাণকাজের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এতে করে, মহাস্থানগড়ের সীমানার মধ্যে যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রইলো। একইসঙ্গে আপিল দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি জানান, এইচআরপিবির করা জনস্বার্থের মামলায় মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা সংরক্ষণের নির্দেশনা দিয়ে ২০১২ সালে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপিল করলে তার ওপর শুনানি শেষে আজ আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
মনজিল মোরসেদ আরও জানান, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি মহাস্থানগড়ে আগত নারীদের নামাজের স্থান ও ওয়াশরুম তৈরির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানান।মহাস্থানগড়ের ভেতর নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা থাকায় এসব কাজ করার জন্য রায় সংশোধনের আবেদন জানান। তারই ধারাবাহিকতায় সেটি আজ শুনানি করে আদেশ দেন।
এর আগে, ২০১০ সালে মহাস্থানগড়ের সীমানার ভেতরে তৎকালীন মাজার কমিটি মসজিদ নির্মাণসহ উন্নয়নমূলক কাজ করতে গেলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এরপর মহাস্থানগড় সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে এইচআরপিবি রিট পিটিশন দায়ের করে। ওই আবেদন শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ একটি কমিটি গঠন করে বিষয়টি সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
ওই কমিটি মহাস্থানগড় সংরক্ষণের জন্য পূর্ব পাশে মসজিদ নির্মাণের সুপারিশ করে। শুনানি শেষে আদালত মহাস্থানগড়ের সীমানার মধ্যে যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন।
এফএইচ/এএমএ
What's Your Reaction?
