মহিলা কলেজে শিক্ষকতা করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা
মহিলা কলেজে কর্মরত থাকায় কুষ্টিয়া জেলা শাখার সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের নতুন সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন।
এদিন প্রকাশিত জেলা জামায়াতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো পুরুষ সদস্য নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) হিসেবে দায়িত্বশীল কোনো পদে থাকতে পারবেন না। এ নীতির আলোকে কুষ্টিয়া জেলা শাখার সেক্রেটারির দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত জেলা কর্মপরিষদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এনামুল হককে নতুন জেলা সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সদ্য সাবেক জেলা সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রুকনরা দায়িত্বশীল পদে থাকতে পারেন না। কেন্দ্রীয় কমিটি সারা দেশের জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। সে কারণেই তাকে দায়িত্ব থে
মহিলা কলেজে কর্মরত থাকায় কুষ্টিয়া জেলা শাখার সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের নতুন সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন।
এদিন প্রকাশিত জেলা জামায়াতের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো পুরুষ সদস্য নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) হিসেবে দায়িত্বশীল কোনো পদে থাকতে পারবেন না। এ নীতির আলোকে কুষ্টিয়া জেলা শাখার সেক্রেটারির দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত জেলা কর্মপরিষদের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এনামুল হককে নতুন জেলা সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সদ্য সাবেক জেলা সেক্রেটারি সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার বলেন, সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রুকনরা দায়িত্বশীল পদে থাকতে পারেন না। কেন্দ্রীয় কমিটি সারা দেশের জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে। সে কারণেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এ সিদ্ধান্তে আমার কোনো ক্ষোভ বা কষ্ট নেই। আমি সংগঠনের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
তিনি আরও জানান, জেলা সেক্রেটারি হওয়ার আগেই তিনি বাগোয়ান ডক্টর ফজলুল হক গার্লস কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তবে তখন গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট বিধানটি শিথিল থাকায় দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা ছিল না। ভবিষ্যতে চাকরি ছেড়ে দিলে তাকে আবারও সাংগঠনিক দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে।
নবনিযুক্ত জেলা সেক্রেটারি এনামুল হক বলেন, ‘জেলা কর্মপরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে আমাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।’
কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শুধু কুষ্টিয়ায় নয়, সারা দেশে নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমন সাতজন দায়িত্বশীল নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের স্থানে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে নতুন দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।’