মা-বোনকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিলেন দুই ছেলে, থানায় অভিযোগ
যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদীপুর গ্রামে বৃদ্ধা মা ও বোনকে মারধর করে রাতে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মা আনোয়ারা বেগম। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১০টার দিকে সাদীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও তার মেয়ে মাহফুজা খাতুনকে মারধর করেন ছেলে রাসু ও নেদু। এসময় তারা মা ও বোনের ওপর এলোপাতাড়ি লাঠি দিয়ে আঘাত করলে উভয়েই গুরুতর আহত হন। আহতদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে। মারধরের পর মা ও বোনকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আহত অবস্থায় তারা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘প্রায়ই ছেলেরা অকারণে মারধর করে। কোরবানির ঈদের পরও বড় ছেলে নেদু আমাকে মারধর করেছিল। গতকাল রাতেও ছোট ছেলে রাসু ও তার সহযোগীরা আমাকে ও মেয়েকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। যে বাড়িতে থাকি সেটি আমার বাবার বাড়ি। ছেলেরা এখন নির্যাতন চালাচ্ছে। তাদের সঠিক বিচার চাই।’ আরেক ভুক্তভোগী মাহফুজা খাতুন বলেন, ‘স্বামী মারা যাওয়ার পর
যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদীপুর গ্রামে বৃদ্ধা মা ও বোনকে মারধর করে রাতে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মা আনোয়ারা বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ১০টার দিকে সাদীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও তার মেয়ে মাহফুজা খাতুনকে মারধর করেন ছেলে রাসু ও নেদু। এসময় তারা মা ও বোনের ওপর এলোপাতাড়ি লাঠি দিয়ে আঘাত করলে উভয়েই গুরুতর আহত হন। আহতদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে। মারধরের পর মা ও বোনকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। আহত অবস্থায় তারা থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘প্রায়ই ছেলেরা অকারণে মারধর করে। কোরবানির ঈদের পরও বড় ছেলে নেদু আমাকে মারধর করেছিল। গতকাল রাতেও ছোট ছেলে রাসু ও তার সহযোগীরা আমাকে ও মেয়েকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। যে বাড়িতে থাকি সেটি আমার বাবার বাড়ি। ছেলেরা এখন নির্যাতন চালাচ্ছে। তাদের সঠিক বিচার চাই।’
আরেক ভুক্তভোগী মাহফুজা খাতুন বলেন, ‘স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বাবার বাড়িতে থাকি। আমার ছোট মেয়ে রয়েছে। ভাই ও ভাবিরা তাকে পছন্দ করে না। সামান্য বিষয়েই তারা মেয়েকে মারধর করে। প্রতিবাদ করলে মা ও আমাকে মারধর করে। মঙ্গলবারও আমাকে মারধর করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাতে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমাদের হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছে। এর সঠিক বিচার চাই।’
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ‘মা ও বোনকে মারধরের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।’
জামাল হোসেন/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?