মাগুরায় বরই চাষে বাড়ছে উৎপাদন ও বাজার চাহিদা

মাগুরা জেলার সদর উপজেলায় বরই চাষ নতুন করে সম্ভাবনার কথা শোনাচ্ছে। বিশেষ করে বালসুন্দরী, আপেল ও কাশ্মিরি জাতের বরই চাষে আগ্রহ বাড়ায় কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও মাটির কারণে এ এলাকায় বরই চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, মিশ্র ফলের বাগানগুলোতে বরইয়ের পাশাপাশি আম, তরমুজ ও শীতকালীন সবজি বেগুন, ফুলকপি ও আলুর চাষ হচ্ছে। বাগানজুড়ে ঝুলছে পাকা বরই। ভালো ফলন ও বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা চলতি মৌসুমে লাভের প্রত্যাশা করছেন। সদর উপজেলার মিঠাপুর গ্রামের কৃষক মো. পিকুল হোসেন জানান, এলাকার মাটি বরই চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘বালসুন্দরী ও আপেল বরইয়ের বাজার চাহিদা অনেক। খরচ বাদ দিয়েও এবার ভালো লাভ হবে বলে আশা করছি। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা আগেই যোগাযোগ করছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘উন্নত জাতের আপেল বরই গাছ ছোট হলেও ফলন বেশি দেয়। আগে যারা বরই চাষে আগ্রহী ছিলেন না, তারাও এখন লাভ দেখে চাষে ঝুঁকছেন।’ রাউতাড়া গ্রামের কৃষক শওকত হোসেন বলেন, ‘বরই চাষে খরচ তুলনামূলক কম, অথচ লাভ ভালো। বরইয়ের পাশাপাশি ড্রাগন ফল, তরমুজ ও শীতকালী

মাগুরায় বরই চাষে বাড়ছে উৎপাদন ও বাজার চাহিদা

মাগুরা জেলার সদর উপজেলায় বরই চাষ নতুন করে সম্ভাবনার কথা শোনাচ্ছে। বিশেষ করে বালসুন্দরী, আপেল ও কাশ্মিরি জাতের বরই চাষে আগ্রহ বাড়ায় কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও মাটির কারণে এ এলাকায় বরই চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, মিশ্র ফলের বাগানগুলোতে বরইয়ের পাশাপাশি আম, তরমুজ ও শীতকালীন সবজি বেগুন, ফুলকপি ও আলুর চাষ হচ্ছে। বাগানজুড়ে ঝুলছে পাকা বরই। ভালো ফলন ও বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা চলতি মৌসুমে লাভের প্রত্যাশা করছেন।

jagonewsসদর উপজেলার মিঠাপুর গ্রামের কৃষক মো. পিকুল হোসেন জানান, এলাকার মাটি বরই চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘বালসুন্দরী ও আপেল বরইয়ের বাজার চাহিদা অনেক। খরচ বাদ দিয়েও এবার ভালো লাভ হবে বলে আশা করছি। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা আগেই যোগাযোগ করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘উন্নত জাতের আপেল বরই গাছ ছোট হলেও ফলন বেশি দেয়। আগে যারা বরই চাষে আগ্রহী ছিলেন না, তারাও এখন লাভ দেখে চাষে ঝুঁকছেন।’

রাউতাড়া গ্রামের কৃষক শওকত হোসেন বলেন, ‘বরই চাষে খরচ তুলনামূলক কম, অথচ লাভ ভালো। বরইয়ের পাশাপাশি ড্রাগন ফল, তরমুজ ও শীতকালীন সবজি চাষও তাদের পরিবারের আয়ের বড় উৎস হয়ে উঠেছে।’

আরও পড়ুন
মাগুরায় খেজুরের গুড়ে ৫ লাখ টাকা লাভের আশা
রাজবাড়ীতে মধু সংগ্রহ করে মাসে আয় ৩ লাখ টাকা

মোঃ মিনারুল ইসলাম জুয়েল/কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow