মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১২

মাগুরার মহম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এতে নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১ জুন) বিকেলে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ঘুল্লিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা যুবদল নেতা সোহেল রানা (সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অনুসারী) এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুর জামান ভূগলের (যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারী) সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত সপ্তাহে এক ব্যক্তিকে মারধর, ঈদের পরদিন এক আইনজীবীকে কোপানো এবং সামাজিক দলে যোগদান ও বিয়ের দাওয়াত দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরই জেরে রোববার রাতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রথম দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। পরে সোমবার সকালে ঘুল্লিয়া ও শেখপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় আবারও হামলা ও পাল্টা হামলা শুরু হয়। সংঘর্ষে মতিন ফকির, আরজু মোল্যা ও আকবর শেখসহ দুই পক্ষের ১৫টি

মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১২

মাগুরার মহম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এতে নারীসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ঘুল্লিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা যুবদল নেতা সোহেল রানা (সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অনুসারী) এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুর জামান ভূগলের (যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের অনুসারী) সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত সপ্তাহে এক ব্যক্তিকে মারধর, ঈদের পরদিন এক আইনজীবীকে কোপানো এবং সামাজিক দলে যোগদান ও বিয়ের দাওয়াত দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।

মাগুরায় বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১২

এরই জেরে রোববার রাতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রথম দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। পরে সোমবার সকালে ঘুল্লিয়া ও শেখপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় আবারও হামলা ও পাল্টা হামলা শুরু হয়। সংঘর্ষে মতিন ফকির, আরজু মোল্যা ও আকবর শেখসহ দুই পক্ষের ১৫টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

আহতদের মধ্যে আমজেদ মোল্যা, আরজিনা বেগম, আরিফ শিকদার ও জুয়েল মোল্যাসহ ৮ জনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত জাহিরুল মোল্যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ঘুল্লিয়া গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow