মাছের ঘের থেকে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার
খুলনায় মাছের ঘের থেকে ওমর ফারুক নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে নগরীর দৌলতপুরের পশ্চিমপাড়া খুঁটির ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ফারুক (৩২) খুলনার খানজাহান আলী থানার জাব্দিপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে ওমর ফারুক মোস্তর মোড় এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছের ঘেরে কাজ করা শ্রমিক বাবু পানিতে লাশটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় মৃত ব্যক্তির শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন দেখতে পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার (২২ মে) রাত ৯টার দিকে ওই এলাকায় দুইটি গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে ওই সময় কী ঘটনা ঘটেছে তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুরাদুল ইসলাম জানান, নিহত যুবকের মাথায় ও বুকে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। দৌলতপুর এলাকায় পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী এবং বর্তমানে আরমান গ্রুপের সদস্
খুলনায় মাছের ঘের থেকে ওমর ফারুক নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে নগরীর দৌলতপুরের পশ্চিমপাড়া খুঁটির ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত ফারুক (৩২) খুলনার খানজাহান আলী থানার জাব্দিপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে ওমর ফারুক মোস্তর মোড় এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছের ঘেরে কাজ করা শ্রমিক বাবু পানিতে লাশটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় মৃত ব্যক্তির শরীরে দুটি গুলির চিহ্ন দেখতে পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার (২২ মে) রাত ৯টার দিকে ওই এলাকায় দুইটি গুলির শব্দ শোনা যায়। তবে ওই সময় কী ঘটনা ঘটেছে তা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুরাদুল ইসলাম জানান, নিহত যুবকের মাথায় ও বুকে দুটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
দৌলতপুর এলাকায় পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী এবং বর্তমানে আরমান গ্রুপের সদস্য ছিল ফারুক। মাদক ব্যবসার বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
ওসি আরও জানায়, মাদক ব্যবসার বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। সে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত ছিল। শুক্রবার রাতে যে কোনো সময় তাকে প্রতিপক্ষ হয়তো গুলি করে হত্যার পর ঘেরে ফেলে রেখে যায়।
দৌলতপুর থানার এসআই ইশতিয়াক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত ব্যক্তির বুকে দুটি গুলির দাগ রয়েছে। এ ছাড়া মাথায়ও একটি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
What's Your Reaction?