মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিললো দুটি গ্রেনেড

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় গড়িয়ালা গ্রামে বাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। নির্মাণ শ্রমিকরা গ্রেনেড দুটি দেখে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পরে যৌথবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেড দুটি উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর থানায় নিয়ে যায়। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলায় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের বাবু মিয়ার বাড়ি থেকে গ্রেনেড দুুটি উদ্ধার করা হয়। বাড়ির মালিক বাবু মিয়া জানান, সকালে তার বাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। এক পর্যায়ে মাটির নিচে দুটি গোলাকার ধাতব বস্তু দেখতে পান তারা। এসময় বস্তু দুটি দেখে তারা স্থানীয় নলডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধাতব বস্তু দুটিকে গ্রেনেড হিসেবে শনাক্ত করে। পরে তারা যৌথবাহিনীকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেড দুটি উদ্ধার করেন। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, গ্রেনেড দুটি নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গ্রেনেড দুটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় মাটির নিচে চাপা পড়ে। গ্রেনেড দুটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। যৌ

মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিললো দুটি গ্রেনেড

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় গড়িয়ালা গ্রামে বাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে।

নির্মাণ শ্রমিকরা গ্রেনেড দুটি দেখে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পরে যৌথবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেড দুটি উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর থানায় নিয়ে যায়।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলায় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের বাবু মিয়ার বাড়ি থেকে গ্রেনেড দুুটি উদ্ধার করা হয়।

মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিললো পরিত্যক্ত দুটি গ্রেনেড

বাড়ির মালিক বাবু মিয়া জানান, সকালে তার বাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। এক পর্যায়ে মাটির নিচে দুটি গোলাকার ধাতব বস্তু দেখতে পান তারা। এসময় বস্তু দুটি দেখে তারা স্থানীয় নলডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধাতব বস্তু দুটিকে গ্রেনেড হিসেবে শনাক্ত করে। পরে তারা যৌথবাহিনীকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেনেড দুটি উদ্ধার করেন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, গ্রেনেড দুটি নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গ্রেনেড দুটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় মাটির নিচে চাপা পড়ে। গ্রেনেড দুটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। যৌথবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গ্রেনেড দুটি নিষ্ক্রিয় করবে।

এম শাহজাহান/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow