মাঠে কাজ করার সময় গরমে কৃষকের মৃত্যু
জামালপুরের ইসলামপুর জমিতে কাজ করতে গিয়ে তাপপ্রবাহে আবুল হোসেন (৭০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। চলমান তাপপ্রবাহে জামালপুর জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। রোববার (৭ জুন) দুপুরে গাইবান্ধার চন্দনপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত তমেজ আলীর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের জমিতে ধান ও খড় শুকাতে যান আবুল হোসেন। দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করে তিনি মাঠেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। গাইবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান আনসারী বলেন, মাঠে কাজ করার সময় এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. এ. এ. এম আবু তাহের বলেন, হিটস্ট্রোকে মৃত্যু হলে ৪০ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে হয়। এরকম কোনো রোগী আজ হাসপাতালে আসেনি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল জাগো নিউজকে বলেন, রোববার (৭ জুন) ইসলামপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে তাপমাত্রার পাশাপাশি বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় গরম আরও বেড়েছে। হৃদয় আহম্মেদ/এএইচ/এমএস
জামালপুরের ইসলামপুর জমিতে কাজ করতে গিয়ে তাপপ্রবাহে আবুল হোসেন (৭০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। চলমান তাপপ্রবাহে জামালপুর জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে গাইবান্ধার চন্দনপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত তমেজ আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের জমিতে ধান ও খড় শুকাতে যান আবুল হোসেন। দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করে তিনি মাঠেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
গাইবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান আনসারী বলেন, মাঠে কাজ করার সময় এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. এ. এ. এম আবু তাহের বলেন, হিটস্ট্রোকে মৃত্যু হলে ৪০ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে হয়। এরকম কোনো রোগী আজ হাসপাতালে আসেনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল জাগো নিউজকে বলেন, রোববার (৭ জুন) ইসলামপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে তাপমাত্রার পাশাপাশি বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় গরম আরও বেড়েছে।
হৃদয় আহম্মেদ/এএইচ/এমএস
What's Your Reaction?