মাঠে কান্না করার কারণ জানালেন নেইমার
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হতেই আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। ৯৮১ দিন পর মাঠে ফেরার এই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পরে ড্রেসিং রুমে একান্ত মুহূর্তেও তার চোখে জল আসে। এই ২৪ জুন তারিখটিকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন বলতে দ্বিধা করেননি নেইমার। ম্যাচ মিক্সড জোনে এই ফুটবলার বলেন, ‘আমি অবশ্যই এই দিনটিকে আমার জীবনের সবচেয়ে বিশেষ দিনগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করতে পারি। কারণ ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি পরা প্রতিটি ছেলের স্বপ্ন। আমি দীর্ঘ সময় এই জার্সি পরেছি, এখানেই চোট পেয়েছিলাম, অনেক দিন দূরে ছিলাম। আমি এটাকে ভীষণভাবে মিস করেছি এবং ফিরে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছি। আজ প্রায় তিন বছর পর আবার ফিরতে পেরেছি। আমি খুবই সুখী, আনন্দিত এবং আবেগাপ্লুত। সত্যিই আবেগে ভেসে গিয়েছিলাম।’ দলের সঙ্গে থাকলেও প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। মাঠে ফেরার তাড়নায় ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছিলেন নেইমার। এ সময় সতীর্থরা তাকে সাহস জুগিয়েছিল। নেইমার বলেন, ‘ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছি, কারণ আবার এসব অনুভূতি ফিরে পাওয়া ছিল এক বিশাল স্বস্তি। জাতীয় দলের জার্সি পরা, বিশ্বকাপে খেলা, এম
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হতেই আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। ৯৮১ দিন পর মাঠে ফেরার এই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পরে ড্রেসিং রুমে একান্ত মুহূর্তেও তার চোখে জল আসে।
এই ২৪ জুন তারিখটিকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন বলতে দ্বিধা করেননি নেইমার। ম্যাচ মিক্সড জোনে এই ফুটবলার বলেন, ‘আমি অবশ্যই এই দিনটিকে আমার জীবনের সবচেয়ে বিশেষ দিনগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করতে পারি। কারণ ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি পরা প্রতিটি ছেলের স্বপ্ন। আমি দীর্ঘ সময় এই জার্সি পরেছি, এখানেই চোট পেয়েছিলাম, অনেক দিন দূরে ছিলাম। আমি এটাকে ভীষণভাবে মিস করেছি এবং ফিরে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছি। আজ প্রায় তিন বছর পর আবার ফিরতে পেরেছি। আমি খুবই সুখী, আনন্দিত এবং আবেগাপ্লুত। সত্যিই আবেগে ভেসে গিয়েছিলাম।’
দলের সঙ্গে থাকলেও প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। মাঠে ফেরার তাড়নায় ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছিলেন নেইমার। এ সময় সতীর্থরা তাকে সাহস জুগিয়েছিল।
নেইমার বলেন, ‘ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছি, কারণ আবার এসব অনুভূতি ফিরে পাওয়া ছিল এক বিশাল স্বস্তি। জাতীয় দলের জার্সি পরা, বিশ্বকাপে খেলা, এমনকি একদিন বিশ্বকাপ জেতা—এসবই সবসময় আমার স্বপ্ন ছিল। এই অভিজ্ঞতা অসাধারণ। আমাকে উৎসাহ দেওয়া প্রতিটি ব্রাজিলিয়ানকে এবং বিশেষ করে আমার পরিবারকে ধন্যবাদ জানাই।’
জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পেরে আনন্দিত নেইমার বলেন, ‘মাঠে আমি সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এটাই আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। আমি এটাই করতে ভালোবাসি। আমরা জানি ম্যাচে ছোট ছোট বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ভুল করার সুযোগ নেই। যে দল কম ভুল করবে, তারাই এগিয়ে যাবে। সামনে কঠিন ম্যাচ আসছে, তবে আমরা প্রস্তুত।’
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?