মাঠে নেমেই রেকর্ড গড়লেন এডিন জেকো
বয়স ৪০ বছর হলেও ফুটবল মাঠে এখনও দারুণ ছন্দে আছেন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এডিন জেকো। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন, বয়স নয়, পারফরম্যান্সই একজন খেলোয়াড়কে আলাদা করে তোলে। বসনিয়ার জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন জেকো। এই সময়ে তিনি করেছেন ৭৩টি গোল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফলে তিনি এখনও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সর্বকালের সেরা গোলদাতার মর্যাদা ধরে রেখেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন জেকো। ৪০ বছর বয়সেও তিনি দলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা এবং অধিনায়ক হিসেবে সতীর্থদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলের কোচিং স্টাফের মতে, তার অভিজ্ঞতা ও ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা দলের জন্য বড় সম্পদ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার খেলার ধরনেও পরিবর্তন এসেছে। আগের মতো গতি বা শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর না করে এখন তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সঠিক অবস্থান নেওয়া, অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর। এ কারণেই এখনও তিনি শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন। আন্তর্জাতিক ফুটব
বয়স ৪০ বছর হলেও ফুটবল মাঠে এখনও দারুণ ছন্দে আছেন বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এডিন জেকো। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন, বয়স নয়, পারফরম্যান্সই একজন খেলোয়াড়কে আলাদা করে তোলে।
বসনিয়ার জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৪৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন জেকো। এই সময়ে তিনি করেছেন ৭৩টি গোল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফলে তিনি এখনও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সর্বকালের সেরা গোলদাতার মর্যাদা ধরে রেখেছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন জেকো। ৪০ বছর বয়সেও তিনি দলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা এবং অধিনায়ক হিসেবে সতীর্থদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলের কোচিং স্টাফের মতে, তার অভিজ্ঞতা ও ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতা দলের জন্য বড় সম্পদ।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার খেলার ধরনেও পরিবর্তন এসেছে। আগের মতো গতি বা শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর না করে এখন তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সঠিক অবস্থান নেওয়া, অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর। এ কারণেই এখনও তিনি শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছেন।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৪০ বছর বয়সে নিয়মিত খেলে যাওয়া খুবই বিরল ঘটনা। এডিন জেকো সেই অল্প কয়েকজন ফুটবলারের একজন, যিনি বয়সের এই পর্যায়েও জাতীয় দলের মূল শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
১৪৮ ম্যাচে ৭৩ গোলের অসাধারণ রেকর্ড নিয়ে এডিন জেকো এখন শুধু বসনিয়ার একজন খেলোয়াড় নন, বরং বিশ্ব ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তিনি এখনও মাঠে নেমে প্রমাণ করে চলেছেন, সত্যিকারের কিংবদন্তিরা কখনো থেমে যান না।
What's Your Reaction?