‘মাদকবাহী’ নৌকায় মার্কিন হামলা অব্যাহত

মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মাদক বহনের অভিযোগে ফের দুটি নৌকায় হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলায় নৌকাগুলোর ভেতরে থাকা পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তবে সর্বশেষ এই হামলাগুলো কোথায় চালানো হয়েছে তা প্রকাশ করেনি মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (ইউএস সাউথকম)। তবে গত তিন মাস ধরে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরমুখী মাদক পাচারের সন্দেহে বিভিন্ন নৌযান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের (৩১ ডিসেম্বর) হামলাটি আসে আগের দিনের একটি অভিযানের পর। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র তিনটি নৌকা নিয়ে চলা একটি বহরকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেগুলোকে তারা ‘মাদক পাচারকারী নৌযান’ বলে দাবি করেছে। ওই হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়। ২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি নৌকায় প্রথম হামলা চালানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত মাদকবিরোধী যুদ্ধে ৩০টির বেশি নৌযানে হামলা হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ১১০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রথম হামলাটি বিশেষভাবে বিতর্কের জন্ম দেয়, কারণ পরে জানা যায়—যুক্তরাষ্ট্র ওই নৌকাটিতে দুইবার হামলা চালায়। প্রথম হামলার পর নৌকার গায়ে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা দুজনকে দ্বিতীয় হামলায় হত্যা করা হয়। বিষয়টি ন

‘মাদকবাহী’ নৌকায় মার্কিন হামলা অব্যাহত

মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মাদক বহনের অভিযোগে ফের দুটি নৌকায় হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলায় নৌকাগুলোর ভেতরে থাকা পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

তবে সর্বশেষ এই হামলাগুলো কোথায় চালানো হয়েছে তা প্রকাশ করেনি মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (ইউএস সাউথকম)। তবে গত তিন মাস ধরে ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরমুখী মাদক পাচারের সন্দেহে বিভিন্ন নৌযান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবারের (৩১ ডিসেম্বর) হামলাটি আসে আগের দিনের একটি অভিযানের পর। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র তিনটি নৌকা নিয়ে চলা একটি বহরকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেগুলোকে তারা ‘মাদক পাচারকারী নৌযান’ বলে দাবি করেছে। ওই হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়।

২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি নৌকায় প্রথম হামলা চালানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত মাদকবিরোধী যুদ্ধে ৩০টির বেশি নৌযানে হামলা হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ১১০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

প্রথম হামলাটি বিশেষভাবে বিতর্কের জন্ম দেয়, কারণ পরে জানা যায়—যুক্তরাষ্ট্র ওই নৌকাটিতে দুইবার হামলা চালায়। প্রথম হামলার পর নৌকার গায়ে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা দুজনকে দ্বিতীয় হামলায় হত্যা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনে কয়েকজন আইনপ্রণেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, এ ধরনের ‘ডাবল-ট্যাপ’ হামলা যুদ্ধের নিয়ম লঙ্ঘন করতে পারে।

৩০ ডিসেম্বর তিনটি নৌকার বহরে চালানো হামলা নিয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউএস সাউথকম জানায়, সেখানে কয়েকজন বেঁচে গিয়েছিল, যদিও তাদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, অবশিষ্ট তথাকথিত মাদক-সন্ত্রাসীরা অন্য দুটি নৌকা ছেড়ে সাগরে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পরবর্তী হামলার আগে সরে যায়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রমাণ দেয়নি যে লক্ষ্যবস্তু নৌকাগুলোতে সত্যিই মাদক ছিল। তবে সর্বশেষ বিবৃতিতে ইউএস সাউথকম আবারও দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী নৌকাগুলো পরিচিত মাদক পাচার রুট ধরে চলছিল এবং মাদক পাচারে জড়িত ছিল।

সূত্র: বিবিসি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow