মাদরাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে বেতের আঘাত

রাজধানীর কদমতলী থানার রায়েরবাগের একটি মাদরাসা থেকে নাঈম শেখ (১২) নামে এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে বেত্রাঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয়তলার শৌচাগার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে মাদরাসার শৌচাগার থেকে সোয়ানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি। পরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরও পড়ুন ‘আর কোনোদিন অনলাইনে আসা হবে না’ লিখে ফেসবুকে পোস্ট, পরদিন মরদেহ উদ্ধার তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি- শৌচাগারের শাওয়ারের সঙ্গে কাপড় বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়েছে নাঈম। তার শরীরে বেতের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নিহত নাঈমের মামা সুমন বলেন, আমার ভাগনে রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসায় হিফজ বিভাগে পড়তো। গতকাল তাকে মাদরাসার শিক্ষকরা বেত দিয়ে মারধর করে। আঘাত সহ্য করতে না পেরে আমার ভাগনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত

মাদরাসা থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, শরীরে বেতের আঘাত

রাজধানীর কদমতলী থানার রায়েরবাগের একটি মাদরাসা থেকে নাঈম শেখ (১২) নামে এক শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে বেত্রাঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয়তলার শৌচাগার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে মাদরাসার শৌচাগার থেকে সোয়ানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি। পরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি- শৌচাগারের শাওয়ারের সঙ্গে কাপড় বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়েছে নাঈম। তার শরীরে বেতের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহত নাঈমের মামা সুমন বলেন, আমার ভাগনে রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসায় হিফজ বিভাগে পড়তো। গতকাল তাকে মাদরাসার শিক্ষকরা বেত দিয়ে মারধর করে। আঘাত সহ্য করতে না পেরে আমার ভাগনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

তিনি জানান, নাঈমের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়। বাবার নাম বাবু শেখ। যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় মুরাদপুর এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতো সে। তার বাবা রিকশাচালক।

কেএজেডআইএ /বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow