মাদ্রাসার টয়লেটে মিলল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত মো. হাবিবউল্লাহ (১২) যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বাইপাস এলাকার আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল হাবিবউল্লাহ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে সে পড়াশোনার সময় টয়লেটে যায়। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সে ফিরে না আসায় শিক্ষকরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। পরে মাদ্রাসার নিরাপত্তাকর্মীকে দিয়ে টয়লেটের দরজায় ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে টয়লেটের ভেন্টিলেশনের সঙ্গে তোয়ালে পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানান, ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নিযাতনের শিকার হতে হয়। বাড়ি যেতে চাইলে অনেক সময় অনুমতি দেওয়া হ

মাদ্রাসার টয়লেটে মিলল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত মো. হাবিবউল্লাহ (১২) যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার বাইপাস এলাকার আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল হাবিবউল্লাহ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে সে পড়াশোনার সময় টয়লেটে যায়। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সে ফিরে না আসায় শিক্ষকরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। পরে মাদ্রাসার নিরাপত্তাকর্মীকে দিয়ে টয়লেটের দরজায় ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে টয়লেটের ভেন্টিলেশনের সঙ্গে তোয়ালে পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে জানান, ওই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নিযাতনের শিকার হতে হয়। বাড়ি যেতে চাইলে অনেক সময় অনুমতি দেওয়া হয় না। নিহত হাবিবউল্লাহ তার মাকে জানিয়েছিল, সে আর ওই মাদ্রাসায় থাকতে চায় না। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে পুনরায় মাদ্রাসায় পাঠানো হয় বলে সহপাঠীরা দাবি করেন। এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসীর উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত নির্যাতনসংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow