মানসিক অবসাদ থেকে মৃত্যু, আগেই সতর্ক করেছিলেন চিকিৎসক
রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল থানা এলাকার একটি বাসা থেকে জামাল উদ্দিন পবন (৬৬) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মানসিক অবসাদ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, জামাল উদ্দিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন, যা তার চিকিৎসকের রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি সুইসাইড অ্যাটেম নিতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছিল। রোববার (৭ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল থানার সেনপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মিরপুর সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি বাসায় জামাল উদ্দিন পবন নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই বাসায় জামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী এবং ছেলে-ছেলের বৌ থাকতেন। সবাই তাদের বেডরুমে ছিলেন। আর ঘটনাটি ঘটিয়েছে ড্রইংরুমে। ভোরে উঠে তারা (বাসার অন্য সদস্যরা) দেখছেন। জামাল উদ্দিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, তার যে ডাক্তারি রিপোর্ট আছে সেখানে উল্লেখ ছিল সুইসাইড অ্যাটেম নিতে পারে। তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তার নিয়মিত ডাক্তারের সঙ্গে যোগ
রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল থানা এলাকার একটি বাসা থেকে জামাল উদ্দিন পবন (৬৬) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মানসিক অবসাদ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বলছে, জামাল উদ্দিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন, যা তার চিকিৎসকের রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি সুইসাইড অ্যাটেম নিতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছিল।
রোববার (৭ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুরের কাফরুল থানার সেনপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, মিরপুর সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি বাসায় জামাল উদ্দিন পবন নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই বাসায় জামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী এবং ছেলে-ছেলের বৌ থাকতেন। সবাই তাদের বেডরুমে ছিলেন। আর ঘটনাটি ঘটিয়েছে ড্রইংরুমে। ভোরে উঠে তারা (বাসার অন্য সদস্যরা) দেখছেন।
জামাল উদ্দিন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, তার যে ডাক্তারি রিপোর্ট আছে সেখানে উল্লেখ ছিল সুইসাইড অ্যাটেম নিতে পারে। তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তার নিয়মিত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। ডাক্তারের কাগজপত্রে লেখা আছে তিনি সুইসাইড অ্যাটেম নিতে পারেন।
মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, মরদেহ বর্তমানে তাদের বাসায়ই আছে। তারা বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ নেওয়ার আবেদন করেছেন। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কাগজপত্র সমাধান হলে তারা মরদেহ নিয়ে যাবে। ময়নাতদন্ত করা হবে না।
কেআর/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?