মানিকগঞ্জ-৩ আসনে পাঁচ মাসে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে

মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিভিন্ন উন্নয়নকাজে গত পাঁচ মাসে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি জেলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এ আসনের উন্নয়নে গত পাঁচ মাসে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ আসনের চারটি সেতু নির্মাণে ৩০০ কোটি টাকা এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও সেতু নির্মাণে এলজিইডির মাধ্যমে আরও ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি। উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না জানিয়ে আফরোজা খানম রিতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কাজের মান ও নির্ধারিত সময়সীমার বিষয়েও সর্বো

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে পাঁচ মাসে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে

মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিভিন্ন উন্নয়নকাজে গত পাঁচ মাসে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি জেলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এ আসনের উন্নয়নে গত পাঁচ মাসে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ আসনের চারটি সেতু নির্মাণে ৩০০ কোটি টাকা এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও সেতু নির্মাণে এলজিইডির মাধ্যমে আরও ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না জানিয়ে আফরোজা খানম রিতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে কাজের মান ও নির্ধারিত সময়সীমার বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

ঠিকাদারদের কাজ ফেলে রাখার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় ঠিকাদাররা কাজের একটি অংশ করে বাকি কাজ ফেলে চলে গেছেন। এতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। কোথাও রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, আবার কোথাও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতেও সমস্যা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা টেন্ডার নিয়ে কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দিয়েছেন, তাদের দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের ব্ল্যাকলিস্ট করারও নির্দেশ দেন তিনি।

মানিকগঞ্জে দুটি উপশহর নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে গজারিয়া এলাকায় একটি উপশহর নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, এতগুলো উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন হলে মানুষের কর্মসংস্থানের অভাব থাকবে না। অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। তাই এসব কাজ বাস্তবায়নে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে।

উন্নয়নকাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে আবার যখন আসব, তখন আজ যে নির্দেশনা দিয়ে গেলাম, সেগুলোর কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা দেখব। কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে, মন্ত্রী জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে অংশ নেন। পরে জেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, সিভিল সার্জন ডা. আইভি ফেরদৌসসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

মো. সজল আলী/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow