মামলায় নাম উঠল শিক্ষকের, প্রতিবাদে রাস্তায় ছাত্র-জনতা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. আবুল খায়েরের (৩৫) বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে মামলা প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- ৯ নম্বর সমাজ বায়তুল হাবীব জামে মসজিদের সেক্রেটারি মো. জাহের হোসেন, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি মাফুজুর রহমান আল মাদানী এবং হেফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ শহীদ উল্যাহসহ অনেকে। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক মো. আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত। তারা অভিযোগকারীকে ‘খারাপ প্রকৃতির’ উল্লেখ করে বলেন, তার কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ভোগান্তিতে রয়েছেন এবং বহু পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তারা আরও বলেন, মামলায় বলা হয়েছে ঘটনার সূত্রপাত গত ৫ ফেব্রুয়ারির একটি দৃশ্যপটে। কিন্তু ঘটনার প্রায় দুই মাস ১০ দিন পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা তাদের কাছে

মামলায় নাম উঠল শিক্ষকের, প্রতিবাদে রাস্তায় ছাত্র-জনতা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. আবুল খায়েরের (৩৫) বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে মামলা প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদ্রাসা মাঠে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- ৯ নম্বর সমাজ বায়তুল হাবীব জামে মসজিদের সেক্রেটারি মো. জাহের হোসেন, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি মাফুজুর রহমান আল মাদানী এবং হেফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ শহীদ উল্যাহসহ অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক মো. আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত। তারা অভিযোগকারীকে ‘খারাপ প্রকৃতির’ উল্লেখ করে বলেন, তার কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী ভোগান্তিতে রয়েছেন এবং বহু পরিবার অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

তারা আরও বলেন, মামলায় বলা হয়েছে ঘটনার সূত্রপাত গত ৫ ফেব্রুয়ারির একটি দৃশ্যপটে। কিন্তু ঘটনার প্রায় দুই মাস ১০ দিন পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা তাদের কাছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বহন করে। মিথ্যা মামলা দায়েরের পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং গ্রামবাসী প্রতিবাদে নামেন। 

মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এদিকে, মামলার বাদী অভিযোগের বিষয়ে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।  

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow