‘মারাকানায় ব্রাজিলের বিপক্ষে কোপা জয়ই আমাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়’
আর্জেন্টিনার দীর্ঘসময়ের ট্রফি খরা ঘুচেছিল ব্রাজিলের মারাকানাতে। ২০২১ কোপা আমেরিকার ফাইনালে আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ব্রাজিলকে পরাজিত ছিল আর্জেন্টিনা। ওই জয়ই যেন তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ। ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকা জয় আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব ফুটবলে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই জয়কে জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়া মুহূর্ত বলে মনে করেন আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে নামার আগে এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘আমরা যখন প্রথম ট্রফিটি জিতলাম, কোনো না কোনো সময় আমাদের মনে হয়েছে আমাদের ভালো সময় আসতে চলেছে। কিন্তু তারপরেও যেন কিছু একটার অভাব ছিল। আমাদের টার্নিং পয়েন্ট ছিল মারাকানাতে ব্রাজিলের বিপক্ষে কোপা আমেরিকা জয়। যা আমাদের জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে। ওই ম্যাচের পরই আমরা সকল টুর্নামেন্টে প্রতিযোগিতা করতাম জয়ের জন্য। আমরা শুধু জেতার জন্য খেলতাম এমন না আমরা প্রতিপক্ষকে সম্মানও করতাম। কাতারে আমরা সংঘবদ্ধ হয়ে সাফল্য অর্জন করেছি যা আমাদেরকে আরো দৃঢ়ভাবে লড়াই করতে সাহায্য করবে।’ ২০২৬ বিশ্বকাপই হতে য
আর্জেন্টিনার দীর্ঘসময়ের ট্রফি খরা ঘুচেছিল ব্রাজিলের মারাকানাতে। ২০২১ কোপা আমেরিকার ফাইনালে আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ব্রাজিলকে পরাজিত ছিল আর্জেন্টিনা। ওই জয়ই যেন তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
এরপর ২০২২ সালে ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ। ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকা জয় আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব ফুটবলে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে। ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই জয়কে জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দেওয়া মুহূর্ত বলে মনে করেন আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে নামার আগে এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘আমরা যখন প্রথম ট্রফিটি জিতলাম, কোনো না কোনো সময় আমাদের মনে হয়েছে আমাদের ভালো সময় আসতে চলেছে। কিন্তু তারপরেও যেন কিছু একটার অভাব ছিল। আমাদের টার্নিং পয়েন্ট ছিল মারাকানাতে ব্রাজিলের বিপক্ষে কোপা আমেরিকা জয়। যা আমাদের জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে। ওই ম্যাচের পরই আমরা সকল টুর্নামেন্টে প্রতিযোগিতা করতাম জয়ের জন্য। আমরা শুধু জেতার জন্য খেলতাম এমন না আমরা প্রতিপক্ষকে সম্মানও করতাম। কাতারে আমরা সংঘবদ্ধ হয়ে সাফল্য অর্জন করেছি যা আমাদেরকে আরো দৃঢ়ভাবে লড়াই করতে সাহায্য করবে।’
২০২৬ বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে বেনফিকার এই ডিফেন্ডারের শেষ বিশ্বকাপ। এরপরেই জাতীয় দল থেকে অবসর নিবেন। নিজের শেষ টুর্নামেন্ট খেলার আগে আবেগকে ধরে রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি হারতে পছন্দ করি না। আমি যখন অনুশীলন করি কিংবা খেলি তখন মনে করি না যে ওইটাই আমার শেষ ম্যাচ। আমি সতীর্থদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত উপভোগ করছি সময়টা। যখন ভাবি আমার বিদায়ের কথা তখন কিছুটা আবেগপ্রবণ হই। আমি জানি আমার সময় শেষ। আশা করছি আরো একবার শেষ সময়ে আমরা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হতে পারবো।’
আরআর/আইএন
What's Your Reaction?