মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের এককিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের মধ্যাঞ্চলের ইস্পাহানে এটি ভূপাতিত করেছে।  মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইস্পাহান শহরের আকাশে একটি মার্কিন তৈরি এমকিউ-৯ ড্রোন এবং পারস্য উপসাগরের কাসেম দ্বীপের ওপর একটি লুকাস ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, ভোরের দিকে ইসফাহানের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট সফলভাবে একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস করেছে। এটি মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি একটি দীর্ঘ সময় নজরদারি চালানোর সক্ষমতাসম্পন্ন মানববিহীন আকাশযান। একই দিনে পৃথক আরেক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেশম দ্বীপের আকাশে একটি লুকাস ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ইরানি সূত্র জানিয়েছে, লুকাস ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলেও এটি মূলত ইরানের কামিকাজি ড্রোন শাহেদের আদলে তৈরি। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট

মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের এককিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের মধ্যাঞ্চলের ইস্পাহানে এটি ভূপাতিত করেছে। 

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রেসটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইস্পাহান শহরের আকাশে একটি মার্কিন তৈরি এমকিউ-৯ ড্রোন এবং পারস্য উপসাগরের কাসেম দ্বীপের ওপর একটি লুকাস ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, ভোরের দিকে ইসফাহানের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট সফলভাবে একটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস করেছে। এটি মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি একটি দীর্ঘ সময় নজরদারি চালানোর সক্ষমতাসম্পন্ন মানববিহীন আকাশযান।

একই দিনে পৃথক আরেক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কেশম দ্বীপের আকাশে একটি লুকাস ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ইরানি সূত্র জানিয়েছে, লুকাস ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলেও এটি মূলত ইরানের কামিকাজি ড্রোন শাহেদের আদলে তৈরি।

ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৪৭টি শত্রু ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু করে। এর আগে প্রায় আট মাস আগে দেশটির ওপর আকস্মিক হামলা চালানো হয়েছিল। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশুসহ শতাধিক বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছে।

এর জবাবে ইরান দ্রুত পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে এবং ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চল ও বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow