মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন তথ্য জানাল ইরান

ইরানের বিমান বাহিনীর উপ-সমন্বয়কারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসউদ জাফারি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো কয়েক বছর ধরে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় পরিকল্পনা করা হয়েছিল।  ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জাফারির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সংঘাতের প্রথম দিনে প্রতিপক্ষ ধারণা করেনি যে ইরানের বিমান বাহিনী বিমান অভিযান পরিচালনা করবে। এই মূল্যায়নের কারণেই অভিযানটি সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।  জাফারির তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে অংশ নেওয়া পাইলটরা ঝুঁকি, পরিস্থিতির গুরুত্ব এবং প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়েই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, তারা এমন একটি অভিযান পরিচালনা করেছেন, যা অনেকের কাছে অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল। অভিযানে অংশ নেওয়া পাইলটদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, নিহত পাইলট মাজিদ কাজেমির মরদেহ পরে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও অন্য তিন পাইলটের বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা

মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন তথ্য জানাল ইরান

ইরানের বিমান বাহিনীর উপ-সমন্বয়কারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসউদ জাফারি জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো কয়েক বছর ধরে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় পরিকল্পনা করা হয়েছিল। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জাফারির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সংঘাতের প্রথম দিনে প্রতিপক্ষ ধারণা করেনি যে ইরানের বিমান বাহিনী বিমান অভিযান পরিচালনা করবে। এই মূল্যায়নের কারণেই অভিযানটি সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে। 

জাফারির তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে অংশ নেওয়া পাইলটরা ঝুঁকি, পরিস্থিতির গুরুত্ব এবং প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়েই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, তারা এমন একটি অভিযান পরিচালনা করেছেন, যা অনেকের কাছে অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল।

অভিযানে অংশ নেওয়া পাইলটদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, নিহত পাইলট মাজিদ কাজেমির মরদেহ পরে দেশে ফিরিয়ে আনা হলেও অন্য তিন পাইলটের বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। হামলায় ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে পাল্টা হামলায় ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। 

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, পত্রিকাটির স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুরারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত ঘাঁটি বা স্থাপনাগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিমান সংরক্ষণ কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান, এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম।

মার্কিন এই সংবাদপত্রটি লিখেছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কখনো স্বীকার করা বা এর আগে কোনো প্রতিবেদনে উঠে আসা যেকোনো তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি।

সূত্র : আইআরএনএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow