মার্কিন তুলায় তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বিটিএমএ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর গুলশানে বিটিএমএ কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিটিএমএ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। বৈঠকে বিটিএমএ সভাপতি বাংলাদেশের প্রাইমারি টেক্সটাইল শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে রপ্তানি সক্ষমতা জোরদারে বিটিএমএ’র অবদান তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের প্রধান ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প হিসেবে বিটিএমএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সভায় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির ধারা ৫.৩-এর দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিটিএমএ’র নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন যে, উক্ত ধারার আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত তৈরি পোশাক যুক্তর
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর গুলশানে বিটিএমএ কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিটিএমএ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।
বৈঠকে বিটিএমএ সভাপতি বাংলাদেশের প্রাইমারি টেক্সটাইল শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে রপ্তানি সক্ষমতা জোরদারে বিটিএমএ’র অবদান তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের প্রধান ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প হিসেবে বিটিএমএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
সভায় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির ধারা ৫.৩-এর দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিটিএমএ’র নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন যে, উক্ত ধারার আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ) ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।
বিটিএমএ’র মতে, এ সুবিধা কার্যকর হলে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজারে অধিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অর্জন করবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা উভয় দেশের জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক হবে। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পরও এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে মর্মে বিটিএমএ’র পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়।
বিটিএমএ সভাপতি ধারা ৫.৩-এর দ্রুত বাস্তবায়ন, সংশ্লিষ্ট Rules of Origin চূড়ান্তকরণ এবং এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্য মার্কিন পক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের পলিটিকাল-ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলান, অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কভার্ট ও পলিটিকাল-ইকোনমিক কর্মকর্তা চার্লস বেসনার্ড।
আলোচনাকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণ, টেক্সটাইল ও সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে অংশীদারিত্ব জোরদার, মার্কিন তুলার ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এছাড়া Central Bonded Warehouse-এর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং মার্কিন তুলা ও ম্যান-মেড ফাইবার ব্যবহার করে উৎপাদিত বাংলাদেশি টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অধিকতর বাজারসুবিধা নিশ্চিতকরণ সম্পর্কেও উন্মুক্ত ও গঠনমূলক আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিটিএমএ’র পরিচালক চৌধুরী মো. হানিফ সোয়েব, প্রকৌশলী সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী ও রুবায়েত হায়দার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিটিএমএ’র সাবেক পরিচালক মো. মাসুদ রানা এবং প্রকৌশলী রাজীব হায়দার বৈঠকে অংশ নেন।
এমএমকে
What's Your Reaction?