মার্কিন দূতাবাসের গোপন সার্ভার মুছে ফেলার নির্দেশ
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার গতি বাড়িয়েছে ইরান। আগের চেয়ে বেশি সফলতাও পাচ্ছে তারা। এ পরিস্থিতিতে ভয়ে দিন পার করছেন কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মীরা। বিষয়টি ওয়াশিংটনেও জানানো হয়েছে। বিবিসির মার্কিন সংবাদ অংশীদার সিবিএস জানিয়েছে, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে বড় হামলার আশংকা করা হচ্ছে। তাই বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি দূতাবাসের কর্মীদের তথ্য ধ্বংস এবং গোপন সার্ভার মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুই মার্কিন কর্মকর্তা সিবিএসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কুয়েতের সামরিক মুখপাত্র এক্স-এ এক বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘ইরানি ড্রোন ধ্বংসের ফলে কিছু ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়েছিল। এতে একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে কোনো মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’ এদিকে ইরানের একটি ‘ড্রোন ক্যারিয়ার’ হিসেবে বর্ণনা করা জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক কমান্ড। আলজাজিরার শুক্রবারের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার গতি বাড়িয়েছে ইরান। আগের চেয়ে বেশি সফলতাও পাচ্ছে তারা। এ পরিস্থিতিতে ভয়ে দিন পার করছেন কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মীরা। বিষয়টি ওয়াশিংটনেও জানানো হয়েছে।
বিবিসির মার্কিন সংবাদ অংশীদার সিবিএস জানিয়েছে, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে বড় হামলার আশংকা করা হচ্ছে। তাই বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি দূতাবাসের কর্মীদের তথ্য ধ্বংস এবং গোপন সার্ভার মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুই মার্কিন কর্মকর্তা সিবিএসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কুয়েতের সামরিক মুখপাত্র এক্স-এ এক বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘ইরানি ড্রোন ধ্বংসের ফলে কিছু ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়েছিল। এতে একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে কোনো মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে ইরানের একটি ‘ড্রোন ক্যারিয়ার’ হিসেবে বর্ণনা করা জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে গেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক কমান্ড।
আলজাজিরার শুক্রবারের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ইরানের ওই জাহাজে আঘাত হানা হয়েছে এবং সেটি এখন আগুনে জ্বলছে। তবে হামলাটি ঠিক কোথায় চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
What's Your Reaction?