মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মাঝেই হরমুজ অতিক্রম করল ইরানি জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও হরমুজ প্রণালি অবরোধ উপেক্ষা করেই এবার ইরানের একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ (সুপার ট্যাংকার) এ জলপথ অতিক্রম করে ইরানের ইমাম খোমেনি বন্দরের দিকে গেছে। ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সি বুধবার (১৫ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জাহাজটির প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে এটি বর্তমানে তেলভর্তি নাকি খালি অবস্থায় ফিরেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি বাধা ও অবরোধ থাকা সত্ত্বেও এ ঘটনা ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
তবে এই প্রতিবেদন লেখার সময় আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা আল জাজিরা জানায়, জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটার তথ্য অনুযায়ী, অতিক্রম করা জাহাজটি খাদ্যসামগ্রী নিয়ে উপসাগরে প্রবেশ করেছে এবং ইমাম খোমেনি বন্দরের দিকে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা আরও একটি সুপারট্যাঙ্কার আজ বুধবার সকালে ইরানের সীমান্তে প্রবেশ করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের জবাবে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি বলেছেন, ৮ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি স্থল ও সমুদ্র সীমান্ত থাকায় ইরানের জন্য কোনো অবরোধই ফলপ্রসূ হবে না।
তিনি আমদানি
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও হরমুজ প্রণালি অবরোধ উপেক্ষা করেই এবার ইরানের একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ (সুপার ট্যাংকার) এ জলপথ অতিক্রম করে ইরানের ইমাম খোমেনি বন্দরের দিকে গেছে। ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সি বুধবার (১৫ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জাহাজটির প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে এটি বর্তমানে তেলভর্তি নাকি খালি অবস্থায় ফিরেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি বাধা ও অবরোধ থাকা সত্ত্বেও এ ঘটনা ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
তবে এই প্রতিবেদন লেখার সময় আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা আল জাজিরা জানায়, জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটার তথ্য অনুযায়ী, অতিক্রম করা জাহাজটি খাদ্যসামগ্রী নিয়ে উপসাগরে প্রবেশ করেছে এবং ইমাম খোমেনি বন্দরের দিকে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা আরও একটি সুপারট্যাঙ্কার আজ বুধবার সকালে ইরানের সীমান্তে প্রবেশ করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের জবাবে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি বলেছেন, ৮ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি স্থল ও সমুদ্র সীমান্ত থাকায় ইরানের জন্য কোনো অবরোধই ফলপ্রসূ হবে না।
তিনি আমদানি ও রপ্তানি সহজ করার জন্য মুক্তাঞ্চলসহ অন্যান্য ব্যবস্থা সক্রিয় করার কথাও উল্লেখ করেছেন ।
উল্লেখ্য, ইরানের বাণিজ্যের একটি বিশাল অংশ দেশটির দক্ষিণ উপকূল দিয়ে পরিচালিত হয় এবং স্পষ্টতই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। দেশটির সেনাবাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, উপকূলীয় এলাকাগুলোর পাশাপাশি পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সম্ভাব্য সবকিছুই করবে।