মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও নির্বাচন ইস্যু

2 months ago 40

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আবারও তোলা হয়েছে বাংলাদেশ ইস্যু। এবাার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।  ব্রিফিংয়ে এসব বিষয়ের জবাবও দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর। 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) অয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। 

ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। ফলে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিস্থিতি ও ভাগ্যকে কীভাবে মূল্যায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্র?

জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিও মিলার বলেন, আমরা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা সংঘাত এবং এর  ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সমাধানে সহায়তা আমাদের জন্য একটি অগ্রাধিকারের বিষয়। বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকার বার্মায় নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় প্রদানে উদারতা দেখিয়েছে। আমরা রোহিঙ্গা এবং মিয়ানমারের অন্যান্য সম্প্রদায়ের সদস্যদের যারা দেশটিতে আশ্রয় নিয়েছে তাদের সহায়তার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।

ব্রিফিংয়ে আরও জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ২০২৫ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৬ সালের শুরুর দিকে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

মিলার এ প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে উত্তর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

এর আগে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের রূপরেখা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি বলেন, আগামী বছর ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দেশে জাতীয় নির্বাচন হবে।

ড. ইউনূস বলেন, যদি অল্প কিছু সংস্কার করে ভোটার তালিকা নির্ভুলভাবে তৈরি করার ভিত্তিতে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয় তাহলে ২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়তো সম্ভব হবে। আর যদি এর সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এবং জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে আরও অন্তত ছয় মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।

Read Entire Article