মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ভিসা নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়ে মতৈক্য রয়েছে। ভারত সফরে এসে রুবিও বলেন, বিশ্বের দুই বৃহৎ গণতন্ত্র হিসেবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেই কৌশলগতভাবে একসঙ্গে রয়েছে। তবে বৈঠকের পর জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ভিসা কড়াকড়ি নিয়ে উদ্বেগ জানান। জয়শঙ্কর বলেন, বৈধ ভ্রমণকারী ও দক্ষ কর্মীদের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব জটিলতা তৈরি হচ্ছে, তা তিনি রুবিওকে অবহিত করেছেন। তার ভাষায়, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় আমরা সহযোগিতা করছি, কিন্তু এর প্রভাব যেন বৈধ যাতায়াত ও প্রযুক্তিখাতে কাজ করা মানুষের ওপর না পড়ে। সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি ভিসার ফি ও বিধিনিষেধ আরও কঠোর করেছে। এই ভিসায় বিপুল সংখ্যক ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মী যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেন। নতুন নিয়মে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদেরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতে হতে পারে, যা বহু পরিবারের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এদিকে ভারতীয়দের নিয়ে যুক্ত

মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে ভারতের উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ভিসা নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়ে মতৈক্য রয়েছে।

ভারত সফরে এসে রুবিও বলেন, বিশ্বের দুই বৃহৎ গণতন্ত্র হিসেবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতেই কৌশলগতভাবে একসঙ্গে রয়েছে। তবে বৈঠকের পর জয়শঙ্কর প্রকাশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ভিসা কড়াকড়ি নিয়ে উদ্বেগ জানান।

জয়শঙ্কর বলেন, বৈধ ভ্রমণকারী ও দক্ষ কর্মীদের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব জটিলতা তৈরি হচ্ছে, তা তিনি রুবিওকে অবহিত করেছেন। তার ভাষায়, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় আমরা সহযোগিতা করছি, কিন্তু এর প্রভাব যেন বৈধ যাতায়াত ও প্রযুক্তিখাতে কাজ করা মানুষের ওপর না পড়ে।

সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি ভিসার ফি ও বিধিনিষেধ আরও কঠোর করেছে। এই ভিসায় বিপুল সংখ্যক ভারতীয় প্রযুক্তিকর্মী যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেন। নতুন নিয়মে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদেরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতে হতে পারে, যা বহু পরিবারের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

এদিকে ভারতীয়দের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদী মন্তব্যের প্রসঙ্গ উঠলে রুবিও বলেন, প্রত্যেক দেশেই কিছু বোকা মানুষ থাকে। কিউবান অভিবাসী পরিবারের সন্তান রুবিও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ হয়েছে। তবে তিনি বলেন, বর্তমান অভিবাসন সংস্কার কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংকট মোকাবিলার অংশ।

চার দিনের ভারত সফরে রুবিও ভারতকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের যৌথ মূল্যবোধই এই সম্পর্কের ভিত্তি।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে কিছু অস্বস্তিও দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে এবং ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকাকেও প্রশংসা করেছে।

এ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্টভাবে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে চলছে। আর আমাদের অবস্থান হলো ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow