মার্কিন হামলায় খার্গ দ্বীপের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল ইরানি গণমাধ্যম

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন। এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপের  তেল স্থাপনা অক্ষত রয়েছে।  শনিবার (১৪ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার দ্বীপটিতে একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হামলার সময় দ্বীপজুড়ে ১৫টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পর দ্বীপের বিভিন্ন স্থান থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা সত্ত্বেও দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। তবে তেল স্থাপনায় কোনো হামলা করা হয়নি। খার্গ দ্বীপ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল এই দ্বীপ থেকেই রপ্তানি হয়। ট্রাম্প সতর্ক

মার্কিন হামলায় খার্গ দ্বীপের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল ইরানি গণমাধ্যম

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন। এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপের  তেল স্থাপনা অক্ষত রয়েছে। 

শনিবার (১৪ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার দ্বীপটিতে একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হামলার সময় দ্বীপজুড়ে ১৫টিরও বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের পর দ্বীপের বিভিন্ন স্থান থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।

তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা সত্ত্বেও দ্বীপটির গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। তবে তেল স্থাপনায় কোনো হামলা করা হয়নি।

খার্গ দ্বীপ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল এই দ্বীপ থেকেই রপ্তানি হয়।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয় বা হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার মতো সক্ষমতা ইরানের ছিল না।

এদিকে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন করা হয়। পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, শিগগিরই হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে মার্কিন নৌবাহিনী।

এদিকে যুদ্ধের উত্তেজনা বাড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেরিন সেনা এবং যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ট্রিপোলি’ অঞ্চলটিতে মোতায়েন করা হচ্ছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই যুদ্ধে ইতোমধ্যে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এর বেশিরভাগই ইরানে, তবে লেবানন ও উপসাগরীয় অঞ্চলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার অঙ্গীকার করেছেন। একইসঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোকে তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow