মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার চালু না হওয়ায় হতাশ কর্মীরা

২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকারের সময়ে শ্রমবাজারটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে এখনো কোনো প্রচেষ্টাই আলোর মুখ দেখেনি। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীরা।  ২০২৪ সালের শ্রমবাজার বন্ধ হওযার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো থাকায় সবার প্রত্যাশা ছিল একটু বেশি। তবে সবশেষ ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত কর্মী প্রেরণ আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন তারেক রহমান। গত ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়া সফর করেন তিনি। দুই দিনের ওই সফরে মালয়েশিয়া বন্ধ হওয়া শ্রমবাজার চালুসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দেশটির রাজা ও প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ে সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে বৈঠক করেন তারেক রহমান।  আবারও শুরু হয় খুব বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ প্রত্যাশা। যদিও গত ৮ ও ৯ এপ্রিল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন

মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার চালু না হওয়ায় হতাশ কর্মীরা

২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকারের সময়ে শ্রমবাজারটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে এখনো কোনো প্রচেষ্টাই আলোর মুখ দেখেনি। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীরা। 

২০২৪ সালের শ্রমবাজার বন্ধ হওযার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো থাকায় সবার প্রত্যাশা ছিল একটু বেশি। তবে সবশেষ ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত কর্মী প্রেরণ আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

পরে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন তারেক রহমান। গত ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়া সফর করেন তিনি। দুই দিনের ওই সফরে মালয়েশিয়া বন্ধ হওয়া শ্রমবাজার চালুসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দেশটির রাজা ও প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ে সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে বৈঠক করেন তারেক রহমান। 

আবারও শুরু হয় খুব বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ প্রত্যাশা। যদিও গত ৮ ও ৯ এপ্রিল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন মালয়েশিয়া সফর করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে গত ৩০ জুন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের হলরুমে প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে বন্ধ হওয়া শ্রম বাজার অল্পসংখ্যক কর্মী প্রেরণ শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে। তবে কোন প্রক্রিয়ায়, কত খরচে, মালয়েশিয়ায় কর্মী যাবে এ বিষয় তিনি কোনো তথ্য দেননি। 

অন্যদিকে আগস্টের ২য় সপ্তাহে বোয়েসেল তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার এখনো বন্ধ আছে, বন্ধ হওয়া শ্রম বাজার চালুর প্রচেষ্টা চলছে। 

এদিকে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমল থেকে শুরু হওয়া গুঞ্জন এখনো আলোচনার টেবিলের সীমাবদ্ধ নাকি কোনো অদৃশ্য কারণে শ্রমবাজার চালু করা সম্ভব হচ্ছে না? 

এসব বিষয়ে মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক কর্মীরা পড়েছেন বিভ্রান্তিতে। কার্যকর কোনো ঘোষণা না আসায়, প্রতারণার ফাঁদেও পড়েছেন অনেকে। অনেক প্রতারক পাসপোর্ট ও টাকা নিয়ে রেখেছে কর্মীদের কাছ থেকে। অনেকে জায়গা জমি বিক্রি করেও দালালের হাতে টাকা তুলে দিয়েছে। ঋণগ্রস্ত মানুষগুলোর পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কোনো সমাধান না হওয়ায় দিশাহারা এসব কর্মীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow