মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহার শুরু
মালয়েশিয়া অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের ধরতে আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার শুরু করেছে দেশটি। অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে কুয়ালালামপুর চেরাস অত্যাধুনকি থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করে অর্ধশত বাংলাদেশিসহ ২১৮ বিদেশি কর্মীদের গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে কুয়ালালামপুরের চেরাস তামান ইমান এলেকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ইমিগ্রেশন ও জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির সরকারি গণমাধ্যম বার্নামা এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, অভিযানের সময় অনেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে ভবনের ছাদে, ড্রেনে, রুমের সিলিংয়ের মধ্যে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এ সময় অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করে ১৫ জন বিদেশিকে ধরতে সক্ষম হয়। ইমিগ্রেশন বিভাগের (অপারেশন) ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ধাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৭৯ জন ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকতা ও ১০ জন জাতীয় নিবন্ধন কর্মকতাদের অংশগ্রহণে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাত হওয়া কর্মীরা বিভিন্ন অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় গিয়ে নিজেদের লুকিয়ে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে বিল্ডিংয়ের ছাদ
মালয়েশিয়া অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের ধরতে আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার শুরু করেছে দেশটি। অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে কুয়ালালামপুর চেরাস অত্যাধুনকি থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করে অর্ধশত বাংলাদেশিসহ ২১৮ বিদেশি কর্মীদের গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে কুয়ালালামপুরের চেরাস তামান ইমান এলেকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ইমিগ্রেশন ও জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির সরকারি গণমাধ্যম বার্নামা এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, অভিযানের সময় অনেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে ভবনের ছাদে, ড্রেনে, রুমের সিলিংয়ের মধ্যে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এ সময় অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহার করে ১৫ জন বিদেশিকে ধরতে সক্ষম হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের (অপারেশন) ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ধাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৭৯ জন ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকতা ও ১০ জন জাতীয় নিবন্ধন কর্মকতাদের অংশগ্রহণে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাত হওয়া কর্মীরা বিভিন্ন অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় গিয়ে নিজেদের লুকিয়ে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। অত্যাধুনিক থার্মাল ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে বিল্ডিংয়ের ছাদের উপরে ও সিলিংয়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ব্যাক্তিদের ধরতে সক্ষম হয়।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলে রাত ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় এলাকার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবন থেকে ১ হাজার ৮৭ জানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ২১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মিয়ানমারের ৭৮ জন, বাংলাদেশের ৫৬ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৪৪ জন, নাইজেরিয়ার ১২ জন, নেপালের ১০ জন, ভারতের ৫ জন, শ্রীলঙ্কার ৪ জন এবং অন্যান্য দেশের ৯ জন। এদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ৫২ জন নারী।
গ্রেপ্তার হওয়াদের দেশটির সেমেনিহ ডিটেনশন ডিপোতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?