মালয়েশিয়ায় পাচার হওয়া ৩ বাংলাদেশিকে নিয়ে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
মালয়েশিয়ায় পাচার হওয়া তিন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে দেশটির প্রশাসন, তদন্তে মিলল পাচার হওয়া তিন বাংলাদেশি কর্মীর মানবেতর জীবনযাপনের চাঞ্চল্যকর তথ্য। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) হুলু তেরেঙ্গানু জেলার একটি নির্মানাধীন এলাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বিশেষ অভিযানে তাদেরকে উদ্ধার করে। স্থানীয় জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট শারুদিন আব্দুল ওয়াহাব বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধার হওয়া তিন বাংলাদেশির বয়স ২৯ বছর থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। পুলিশ তদন্তে জানা যায়, দালাল দ্বারা প্রতারিত হওয়া তিন বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় স্থানীয় একটি কোম্পানির কাছে শোষিত হয়। পাঁচ মাস কাজ করিয়েও বেতন দেওয়া হয়নি। পেটের দায়ে জীবন বাঁচাতে তারা একটি খাল থেকে মাছ ধরে, জঙ্গল থেকে ফল সংগ্রহ করে ও লতা পাতা খেয়ে বেঁচে ছিলেন। অমানবিক ঘটনা ঘটে তাদের সাথে। তদন্তে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত স্থানীয় নিয়োগকর্তা তাদের পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেয়। এমনকি থাকার জন্যও ভালো কোন ব্যবস্থা করেনি। ৪৬ বছর বয়সী এক স্থানীয় নিয়োগকর্তাকে শ্রমিক শোষণের অভ
মালয়েশিয়ায় পাচার হওয়া তিন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে দেশটির প্রশাসন, তদন্তে মিলল পাচার হওয়া তিন বাংলাদেশি কর্মীর মানবেতর জীবনযাপনের চাঞ্চল্যকর তথ্য।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) হুলু তেরেঙ্গানু জেলার একটি নির্মানাধীন এলাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বিশেষ অভিযানে তাদেরকে উদ্ধার করে।
স্থানীয় জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট শারুদিন আব্দুল ওয়াহাব বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ এই অভিযান পরিচালনা করে। উদ্ধার হওয়া তিন বাংলাদেশির বয়স ২৯ বছর থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে।
পুলিশ তদন্তে জানা যায়, দালাল দ্বারা প্রতারিত হওয়া তিন বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় স্থানীয় একটি কোম্পানির কাছে শোষিত হয়। পাঁচ মাস কাজ করিয়েও বেতন দেওয়া হয়নি। পেটের দায়ে জীবন বাঁচাতে তারা একটি খাল থেকে মাছ ধরে, জঙ্গল থেকে ফল সংগ্রহ করে ও লতা পাতা খেয়ে বেঁচে ছিলেন। অমানবিক ঘটনা ঘটে তাদের সাথে।
তদন্তে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত স্থানীয় নিয়োগকর্তা তাদের পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেয়। এমনকি থাকার জন্যও ভালো কোন ব্যবস্থা করেনি।
৪৬ বছর বয়সী এক স্থানীয় নিয়োগকর্তাকে শ্রমিক শোষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জোরপূর্বক বাংলাদেশি কর্মীদের কাজ করতে বাধ্য করতেন নিয়োগকর্তা।
এ সময় উদ্ধার হওয়া তিন বাংলাদেশিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অন্তবর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশের আবেদনও করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড অ্যান্টি-স্মাগলিং অব মাইগ্রেনস অ্যাক্ট ২০০৭ এর ধারা ৪৪ এবং ১২-এর অধীনে তদন্ত করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?