মালয়েশিয়ায় ২৫০ অভিবাসী শ্রমিকের ৩ মাসের বেতন বকেয়া, খাবার সরবরাহও বন্ধ 

মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের প্লাইউড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মেনটাকাব ভিনিয়ার অ্যান্ড প্লাইউড এসডিএন বিএইচডিতে কর্মরত প্রায় ২৫০ জন অভিবাসী শ্রমিকের তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বেতন দেওয়া হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমিকরা ও দেশে থাকা তাদের পরিবার। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) থেকে শ্রমিকদের খাবারের সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমাদের মালয়েশিয়া প্রতিনিধি বাপ্পী কুমার দাস জানান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের শ্রমিকরাও দাবি করেছেন, তাদের চাকরির চুক্তিতে উল্লেখিত শর্ত লঙ্ঘন করে কোম্পানিটি গত তিন বছর ধরে তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। কোম্পানিতে কর্মরত ২৫০ জনের মধ্যে ১২৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের মুখপাত্র প্রতিনিধি বাপ্পী কুমার দাস কপ জানান, বকেয়া মজুরি এখানে তাদের দুর্ভোগের কারণ হচ্ছে এবং দেশে থাকা তাদের পরিবারগুলো ঋণ বা বন্ধকি ঋণ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে। কর্মীরা বলেন- কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে বেশিরভাগেরই জনপ্রতি প্রায় ১৬ থেকে ১৮ হাজার রিঙ্গিত (প্রায় পৌনে ৫ লাখ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা) খরচ হয়েছে। এ অর্থের বড় একটি অংশ তারা ব্যাংক ঋণ, নিজেদের জমি বন্ধক রেখে অথবা পরিবারে

মালয়েশিয়ায় ২৫০ অভিবাসী শ্রমিকের ৩ মাসের বেতন বকেয়া, খাবার সরবরাহও বন্ধ 

মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের প্লাইউড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মেনটাকাব ভিনিয়ার অ্যান্ড প্লাইউড এসডিএন বিএইচডিতে কর্মরত প্রায় ২৫০ জন অভিবাসী শ্রমিকের তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বেতন দেওয়া হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমিকরা ও দেশে থাকা তাদের পরিবার।

এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) থেকে শ্রমিকদের খাবারের সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আমাদের মালয়েশিয়া প্রতিনিধি বাপ্পী কুমার দাস জানান, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের শ্রমিকরাও দাবি করেছেন, তাদের চাকরির চুক্তিতে উল্লেখিত শর্ত লঙ্ঘন করে কোম্পানিটি গত তিন বছর ধরে তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

কোম্পানিতে কর্মরত ২৫০ জনের মধ্যে ১২৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের মুখপাত্র প্রতিনিধি বাপ্পী কুমার দাস কপ জানান, বকেয়া মজুরি এখানে তাদের দুর্ভোগের কারণ হচ্ছে এবং দেশে থাকা তাদের পরিবারগুলো ঋণ বা বন্ধকি ঋণ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে।

কর্মীরা বলেন- কলিং ভিসায় মালয়েশিয়া যেতে বেশিরভাগেরই জনপ্রতি প্রায় ১৬ থেকে ১৮ হাজার রিঙ্গিত (প্রায় পৌনে ৫ লাখ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা) খরচ হয়েছে। এ অর্থের বড় একটি অংশ তারা ব্যাংক ঋণ, নিজেদের জমি বন্ধক রেখে অথবা পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে ধার করে জোগাড় করেছিলেন। ভাগ্য বদলের আশায় বিদেশে পাড়ি জমানো এসব কর্মীদের পরিবার তাদের পাঠানো টাকার ওপর নির্ভরশীল। 

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির বৈদেশিক বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহ।

শ্রমিকদের অভিযোগ, চুক্তিতে নির্ধারিত আট ঘণ্টার পরিবর্তে তাদেরকে দৈনিক ৬৫ রিঙ্গিত মজুরিতে দিনে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করা হতো এবং তাদেরকে নিয়মিতভাবে সাপ্তাহিক ছুটি দেওয়া হতো না। ইতিমধ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করা একজন কর্মীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, সহকর্মীরা ধারণা করছে কোম্পানির প্রতিনিধিরা তাকে লুকিয়ে রেখেছে। 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিধি যোগাযোগ করলে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow