মিটিংয়ে ঘুম পাচ্ছে? জেগে থাকবেন যেভাবে
দীর্ঘ মিটিং, ক্লাস বা কোনো অনুষ্ঠান চলাকালে হঠাৎ করে চোখ ভারী হয়ে আসা খুবই পরিচিত একটি অভিজ্ঞতা। আপনি জানেন, সবার সামনে ঘুমিয়ে পড়া কতটা অস্বস্তিকর হতে পারে। তবুও ধীরে ধীরে ঘুম আপনাকে গ্রাস করে ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কিছু সহজ উপায় আছে, যা আপনাকে মিটিংয়ে জেগে থাকতে সাহায্য করতে পারে।
জেগে থাকার বিভিন্ন উপায়
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত ঘুম। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিং বা কাজের আগের রাতে ঠিকমতো ঘুম হলে মন অনেক বেশি সতেজ থাকে। পাশাপাশি মিটিংয়ে যাওয়ার আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক করে নেওয়া ভালো। আপনি কী শিখতে চান বা কী বলতে চান, তা আগে থেকেই ভাবলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
সময় থাকলে ছোট একটি ঘুম উপকারী হতে পারে। খুব অল্প সময়ের, এমনকি ছয় মিনিটের ঘুমও শরীর ও মস্তিষ্ককে কিছুটা চাঙ্গা করতে পারে। তবে আধা ঘণ্টার বেশি ঘুমালে উল্টোভাবে আরও ঝিমুনি আসতে পারে।
মিটিংয়ের আগে বা বিরতিতে হালকা হাঁটাহাঁটি করলে উপকার পাওয়া যায়। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং শরীরের ক্লান্তি কিছুটা কমে। যদি সম্ভব হয়, মিটিংয়ের আগে মুখে ঠান্ডা পানি দিলে বা হাতমুখ ধুয়ে নিলেও সতেজ অনুভূত হতে
দীর্ঘ মিটিং, ক্লাস বা কোনো অনুষ্ঠান চলাকালে হঠাৎ করে চোখ ভারী হয়ে আসা খুবই পরিচিত একটি অভিজ্ঞতা। আপনি জানেন, সবার সামনে ঘুমিয়ে পড়া কতটা অস্বস্তিকর হতে পারে। তবুও ধীরে ধীরে ঘুম আপনাকে গ্রাস করে ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কিছু সহজ উপায় আছে, যা আপনাকে মিটিংয়ে জেগে থাকতে সাহায্য করতে পারে।
জেগে থাকার বিভিন্ন উপায়
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত ঘুম। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিং বা কাজের আগের রাতে ঠিকমতো ঘুম হলে মন অনেক বেশি সতেজ থাকে। পাশাপাশি মিটিংয়ে যাওয়ার আগে নিজের লক্ষ্য ঠিক করে নেওয়া ভালো। আপনি কী শিখতে চান বা কী বলতে চান, তা আগে থেকেই ভাবলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
সময় থাকলে ছোট একটি ঘুম উপকারী হতে পারে। খুব অল্প সময়ের, এমনকি ছয় মিনিটের ঘুমও শরীর ও মস্তিষ্ককে কিছুটা চাঙ্গা করতে পারে। তবে আধা ঘণ্টার বেশি ঘুমালে উল্টোভাবে আরও ঝিমুনি আসতে পারে।
মিটিংয়ের আগে বা বিরতিতে হালকা হাঁটাহাঁটি করলে উপকার পাওয়া যায়। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং শরীরের ক্লান্তি কিছুটা কমে। যদি সম্ভব হয়, মিটিংয়ের আগে মুখে ঠান্ডা পানি দিলে বা হাতমুখ ধুয়ে নিলেও সতেজ অনুভূত হতে পারে।
পানীয়ের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। সকালের মিটিং হলে এক কাপ কফি কাজে লাগতে পারে। তবে দুপুর বা সন্ধ্যার দিকে অতিরিক্ত ক্যাফেইন ঘুমের ক্ষতি করতে পারে। যারা কফি পান করেন না, তারা নিয়মিত পানি পান করলে মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন।
মিটিং চলাকালে সক্রিয় থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন করা, নোট নেওয়া বা আলোচনায় অংশ নিলে ঘুম ঘুম ভাব কমে যায় এবং মন সজাগ থাকে।
সমস্যা কি নিয়মিত হচ্ছে
দিনের বেলা প্রায়ই ঘুম চলে এলে নিজের ঘুমের অভ্যাস খতিয়ে দেখা দরকার। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন, যদিও বয়সভেদে এই চাহিদা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
ভালো ঘুমের জন্য ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক হওয়া জরুরি। ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস দূরে রাখা ভালো। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে এসব বন্ধ করে দেওয়া উচিত। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও একই সময়ে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুললে শরীরের ঘড়ি ঠিক থাকে। সকালে যত দ্রুত সম্ভব প্রাকৃতিক আলোতে বের হলে শরীর আরও সহজে জেগে ওঠে।
এসব চেষ্টা করার পরও যদি প্রতিদিনের মিটিংয়ে ঘুম পায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিছু ক্ষেত্রে ঘুমজনিত শারীরিক সমস্যার কারণেও এমন হতে পারে। এছাড়া ঘুমের জন্য কোনো ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খেলে সেগুলো নিয়েও চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত।
মিটিংয়ে ঘুম পাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এটিকে অবহেলা করা ঠিক নয়। পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও মিটিংয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়মিত যত্ন নিলে শুধু মিটিং নয়, সারাদিনই আপনি আরও সতেজ ও মনোযোগী থাকতে পারবেন।
সূত্র : সিএনএন