মিতু হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন

নওগাঁয় মিতু বানু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদ্‌ঘাটনসহ চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম পুলিশের মিডিয়া সেলে এ তথ্য জানায়। এর আগে গত তিন দিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম। মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জাহান আলী নামে এক ব্যক্তি নওগাঁ সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মনতাসুরকে ফোনে জানায়, তার বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে একটি মরদেহ আছে। পরদিন সকাল ১০টার দিকে অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়। মিতু নামের ওই নারী শহরের বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করার জন্য পুলিশ সুপার ক্রাইম এবং সদর থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার, তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৭ মার্চ জাহান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৯ মার্চ আসা

মিতু হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন
নওগাঁয় মিতু বানু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদ্‌ঘাটনসহ চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল ৪টায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম পুলিশের মিডিয়া সেলে এ তথ্য জানায়। এর আগে গত তিন দিন শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম। মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জাহান আলী নামে এক ব্যক্তি নওগাঁ সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মনতাসুরকে ফোনে জানায়, তার বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে একটি মরদেহ আছে। পরদিন সকাল ১০টার দিকে অজ্ঞাত ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়। মিতু নামের ওই নারী শহরের বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করার জন্য পুলিশ সুপার ক্রাইম এবং সদর থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার, তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৭ মার্চ জাহান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৯ মার্চ আসামি সামিদুল ও সুজ্জাত এবং মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রেন্টু ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সুপার বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আসামি সামিদুল ও জাহান ১২ হাজার টাকায় মিতু বানুকে চুক্তি করে নওগাঁ শহর থেকে বিল ভবানী গ্রামে নিয়ে যায়। ওই গ্রামের মালা নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত বাড়িতে জাহান আলী, রিটু, সুজ্জাত, সামিদুল ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন সেখানে যায়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে ঝামেলা হলে ভিকটিম মিতু চিৎকার শুরু করে। সম্মানের ভয়ে আসামি রেন্টু তার মুখ ও গলা চেপে ধরে, বাকি আসামিরা কেউ হাত-পা ধরে। কিছুক্ষণ পর মিতু মারা গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।  এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, আসামি রেন্টুর পরামর্শে ওই গ্রামের মনতাসুরের বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে মরদেহ গোপন করে রাখে। পরবর্তীতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। জেলায় যে কোনো ধরনের অপরাধের রহস্য উদঘাটন এবং আসামি গ্রেপ্তার তৎপর রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow