মিরসরাইয়ে সব পাহাড়ি ঝরনায় পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারৈয়াঢালা রেঞ্জের আওতাধীন সব পাহাড়ি ঝরনায় পর্যটকদের প্রবেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে বারৈয়াঢালা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর আগে গত ৭ জুলাই থেকে আগামীকাল ১০ জুলাই পর্যন্ত ঝরনাগুলোতে পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইজারাদার বরাবর নোটিশ দেওয়া হয়। বৈরী আবহওয়া ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়ার কারণে সাময়িকভাবে তিন দিন ঝরনায় প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্কের আওতায় ঝরনাগুলো বন্ধ রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ থেকে কাঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব ঝরনায় পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। এ সময় কোনো ধরনের টিকিট বিক্রি করা যাবে না এবং দর্শনার্থীদের ঝরনাগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। চিঠিতে উল্লেখ করা
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারৈয়াঢালা রেঞ্জের আওতাধীন সব পাহাড়ি ঝরনায় পর্যটকদের প্রবেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে বারৈয়াঢালা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
এর আগে গত ৭ জুলাই থেকে আগামীকাল ১০ জুলাই পর্যন্ত ঝরনাগুলোতে পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইজারাদার বরাবর নোটিশ দেওয়া হয়। বৈরী আবহওয়া ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়ার কারণে সাময়িকভাবে তিন দিন ঝরনায় প্রবেশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্কের আওতায় ঝরনাগুলো বন্ধ রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ থেকে কাঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব ঝরনায় পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। এ সময় কোনো ধরনের টিকিট বিক্রি করা যাবে না এবং দর্শনার্থীদের ঝরনাগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বন প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অতিবৃষ্টি হলে আকস্মিক ঢল, পাহাড় ধস এবং ঝরনায় পানির প্রবল স্রোতের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
বারৈয়াঢালা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম বলেন, আমরা গত ৭ জুলাই থেকে ৩ দিনের জন্য ঝরনায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলাম। কিন্তু আবহওয়ার কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় এবং স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঝরনাগুলোতে প্রবেশ বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে ইজারাদারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?