মির্জাপুরে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণার্থী গুলিবিদ্ধ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় গুলিতে মাসুম মিয়া (১৯) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় এই ঘটনা ঘটে। তবে ট্রেনিং সেন্টারের দায়িত্বশীল কেউ মুঠোফোনে সাড়া না দেয়ায় এবিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, পুলিশে যোগদানের পর চার মাসের ট্রেনিংয়ে ছিলেন মাসুম। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারী তার প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ঘটনার পর মাসুমকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হেলিকপ্টারেযোগে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। মাসুম মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ২০২৫ সালে পুলিশে যোগদানের পর অক্টোবর মাসে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ট্রেনিং সেন্টারের কমা-্যান্ট ডিআইজ মোহাম্মদ আশফাকুল আলমসহ

মির্জাপুরে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণার্থী গুলিবিদ্ধ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় গুলিতে মাসুম মিয়া (১৯) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় এই ঘটনা ঘটে। তবে ট্রেনিং সেন্টারের দায়িত্বশীল কেউ মুঠোফোনে সাড়া না দেয়ায় এবিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।

তবে মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, পুলিশে যোগদানের পর চার মাসের ট্রেনিংয়ে ছিলেন মাসুম। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারী তার প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ঘটনার পর মাসুমকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হেলিকপ্টারেযোগে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মাসুম মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ২০২৫ সালে পুলিশে যোগদানের পর অক্টোবর মাসে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ট্রেনিং সেন্টারের কমা-্যান্ট ডিআইজ মোহাম্মদ আশফাকুল আলমসহ একাধিক কর্মকর্তার মুঠোফোনে কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow