মিলাদের বিরিয়ানি নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখম

ঢাকার সাভারে একটি মসজিদে মিলাদের খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্কের জেরে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগান এলাকার কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। মিলাদ শেষে মুসল্লিদের মাঝে বিরিয়ানি বিতরণের সময় ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় দিনমজুর সুমন আলী এক শিশুর জন্য অতিরিক্ত বিরিয়ানি চাইতে গেলে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মাজারুল হক বাবুর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে ধমক দেওয়া ও অপমান করা হয়। পরে বিকেলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভুক্তভোগীর দাবি, কথোপকথনের একপর্যায়ে মাজারুল হক বাবু তাকে রড দিয়ে আঘাত করেন এবং আরও কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। এতে আহত হয়ে তিনি সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন এবং পরদিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, প্রভাব খাটিয়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তবে অভিযোগ অস্বীক

মিলাদের বিরিয়ানি নিয়ে যুবককে পিটিয়ে জখম

ঢাকার সাভারে একটি মসজিদে মিলাদের খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্কের জেরে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবাগান এলাকার কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। মিলাদ শেষে মুসল্লিদের মাঝে বিরিয়ানি বিতরণের সময় ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় দিনমজুর সুমন আলী এক শিশুর জন্য অতিরিক্ত বিরিয়ানি চাইতে গেলে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মাজারুল হক বাবুর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে ধমক দেওয়া ও অপমান করা হয়। পরে বিকেলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

ভুক্তভোগীর দাবি, কথোপকথনের একপর্যায়ে মাজারুল হক বাবু তাকে রড দিয়ে আঘাত করেন এবং আরও কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। এতে আহত হয়ে তিনি সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন এবং পরদিন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, প্রভাব খাটিয়ে বিষয়টি মীমাংসার জন্য তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযুক্ত মাজারুল হক বাবু। তার দাবি, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে শৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে তিনি সুমনকে সরিয়ে দেন। পরে বিকেলে সুমন উত্তেজিত আচরণ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং রাগের মাথায় তাকে কয়েকটি আঘাত করেন।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ওয়াজেদ মিয়া জানান, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না। পরে বিষয়টি জেনেছেন এবং স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানান।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, খাবার বিতরণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষই বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার কথা জানিয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow